ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

মোটা অংকের জরিমানা আদায় করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ইটভাটা

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১০০ বার পঠিত
খুলনা ব্যুরো : মোটা অংকের জরিমানা আদায় করে ও বন্ধ করতে পারছে না  সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ ইটভাটা,এমন ঘটনা ঘটেছে  খুলনা জেলার অন্তর্গত ডুমরিয়া উপজেলা এলাকার ভদ্রা নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ও শোলমারি  তিনটি ইটভাটায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
স্থানীয়দের অভিযোগ পরিবেশ বিধ্বংসকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকার বারবার পদক্ষেপ নিলেও কোন এক অজানা শক্তির বাহুবলে ক্ষমতার দাপটে সক্রিয় অবস্থানে রেখে ইটভাটার ব্যবসা চলমান রাখলেও এবার খুলনা জেলার অন্তর্গত  ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদীর কোল ঘেঁষে এবং শৌলমারি এলাকা জুড়ে অসংখ্য ইটভাটা রয়েছে। তবে উল্লেখিত এলাকার ইটভাটা গুলোর বিরুদ্ধে এক মাসের ব্যবধানে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমী) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুর রহমান ভূমি অফিস ফায়ার সার্ভিস ও ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ফোর্স ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কয়েকটি ইটভাটা থেকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।  এর আগে বিভিন্ন সময়ে উল্লেখিত এলাকার ইটভাটা গুলোর মালিক বরাবর সরকার কর্তৃক লাল নোটিশ আসলে ও তা থুরায় কেয়ার না করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত সম্পর্ক গড়ে তুলে অর্থ আদান-প্রদান উৎকোচের মাধ্যমে বহাল তবিয়তে চালিয়েছে ইটভাটা। পরবর্তীতে গেল বছর শেষ নাগাদ ডিসেম্বরের মাসের প্রথম সপ্তাহে সরকার কর্তৃক সারা দেশব্যাপী অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার লক্ষ্যে  আবারো নোটিশ জারি করে। আর সরকার কর্তৃক এই প্রজ্ঞাপন আদেশ জারি করার পর পরই প্রশাসন নড়েচড়ে বসে সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ  ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুরু করে । প্রথম অবস্থায় কোন জরিমানা না করে তাদেরকে ভাটা বন্ধ করার নির্দেশনা দিলে সর্বশেষ সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেও চলমান রাখে ইটভাটার কার্যক্রম। প্রশাসনের সকল নির্দেশনা অবমাননা করার পর স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন  সামাজিক সংগঠনের বেশ কিছু নেতা কর্মীগণ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারকে অবগত করার ফলে বিষয়টি স্থানীয় সরকার আমলে নিয়ে প্রশাসন সহ ভ্রাম্যমান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলার শোলমারি এলাকায় অবস্থিত ইটভাটা গুলোতে এ অভিযান পরিচালনা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আসাদুর রহমান। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাটা গুলোতে বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় এস বি ভাটাকে ২ লাখ, এন কে বি ভাটাকে ৫ লাখ এবং সেতু ব্রিক্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার শামিমুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ও থানা পুলিশের ফোর্স ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন।তাছাড়া ওই এলাকার স্থানীয় জনগণ বারবার ইটভাটার বাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো ফলপশু সুফল না পাওয়ার কারণে পরিবেশ বিধ্বংসকারী ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন সময় আন্দোলন করেছে, অবশেষে গত বৃহস্পতিবার তিনভাটা মালিকের নিকট থেকে সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে, আর এই মোটা অংকের জরিমানার কারণে হয়তো ইটভাটা মালিকরা কিছুদিনের জন্য হলেও অবৈধ ভাটা পরিচালনা থেকে বিরত থাকলেও ওই সকল ব্যবসায়ীরা পূর্বের অবস্থানে ফিরবে বলে আমরা মনে করছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

মোটা অংকের জরিমানা আদায় করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ইটভাটা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
খুলনা ব্যুরো : মোটা অংকের জরিমানা আদায় করে ও বন্ধ করতে পারছে না  সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ ইটভাটা,এমন ঘটনা ঘটেছে  খুলনা জেলার অন্তর্গত ডুমরিয়া উপজেলা এলাকার ভদ্রা নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ও শোলমারি  তিনটি ইটভাটায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
স্থানীয়দের অভিযোগ পরিবেশ বিধ্বংসকারী ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকার বারবার পদক্ষেপ নিলেও কোন এক অজানা শক্তির বাহুবলে ক্ষমতার দাপটে সক্রিয় অবস্থানে রেখে ইটভাটার ব্যবসা চলমান রাখলেও এবার খুলনা জেলার অন্তর্গত  ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদীর কোল ঘেঁষে এবং শৌলমারি এলাকা জুড়ে অসংখ্য ইটভাটা রয়েছে। তবে উল্লেখিত এলাকার ইটভাটা গুলোর বিরুদ্ধে এক মাসের ব্যবধানে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমী) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুর রহমান ভূমি অফিস ফায়ার সার্ভিস ও ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ফোর্স ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কয়েকটি ইটভাটা থেকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।  এর আগে বিভিন্ন সময়ে উল্লেখিত এলাকার ইটভাটা গুলোর মালিক বরাবর সরকার কর্তৃক লাল নোটিশ আসলে ও তা থুরায় কেয়ার না করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত সম্পর্ক গড়ে তুলে অর্থ আদান-প্রদান উৎকোচের মাধ্যমে বহাল তবিয়তে চালিয়েছে ইটভাটা। পরবর্তীতে গেল বছর শেষ নাগাদ ডিসেম্বরের মাসের প্রথম সপ্তাহে সরকার কর্তৃক সারা দেশব্যাপী অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার লক্ষ্যে  আবারো নোটিশ জারি করে। আর সরকার কর্তৃক এই প্রজ্ঞাপন আদেশ জারি করার পর পরই প্রশাসন নড়েচড়ে বসে সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ  ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুরু করে । প্রথম অবস্থায় কোন জরিমানা না করে তাদেরকে ভাটা বন্ধ করার নির্দেশনা দিলে সর্বশেষ সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেও চলমান রাখে ইটভাটার কার্যক্রম। প্রশাসনের সকল নির্দেশনা অবমাননা করার পর স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন  সামাজিক সংগঠনের বেশ কিছু নেতা কর্মীগণ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারকে অবগত করার ফলে বিষয়টি স্থানীয় সরকার আমলে নিয়ে প্রশাসন সহ ভ্রাম্যমান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলার শোলমারি এলাকায় অবস্থিত ইটভাটা গুলোতে এ অভিযান পরিচালনা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আসাদুর রহমান। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাটা গুলোতে বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় এস বি ভাটাকে ২ লাখ, এন কে বি ভাটাকে ৫ লাখ এবং সেতু ব্রিক্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার শামিমুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ও থানা পুলিশের ফোর্স ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন।তাছাড়া ওই এলাকার স্থানীয় জনগণ বারবার ইটভাটার বাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো ফলপশু সুফল না পাওয়ার কারণে পরিবেশ বিধ্বংসকারী ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন সময় আন্দোলন করেছে, অবশেষে গত বৃহস্পতিবার তিনভাটা মালিকের নিকট থেকে সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে, আর এই মোটা অংকের জরিমানার কারণে হয়তো ইটভাটা মালিকরা কিছুদিনের জন্য হলেও অবৈধ ভাটা পরিচালনা থেকে বিরত থাকলেও ওই সকল ব্যবসায়ীরা পূর্বের অবস্থানে ফিরবে বলে আমরা মনে করছি।