ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

রংপুরে একই পরিবারের ৪-লাশ উদ্ধার

  • রাসেল রানা, রংপুর
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত
রাসেল রানা, রংপুর:   রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামের তিনতলা ভবন থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী সহ তার পরিবারের চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁদের লাশের সন্ধান পান এলাকাবাসী ও পুলিশ।
সিআইডি ও মহানগর পুলিশ ওই ভবন ঘিরে রেখেছে।
মৃত চারজন হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৪) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৮) ।
রংপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আবু হাসান কবির ওই চার লাশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুরো ভবনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের কেউ হত্যা করেছে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় পুরো পরিবার থাকত।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দু-তিন দিন আগে ওই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রংপুর সিআইডির দায়িত্বরত কর্মকর্তা ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের রাত একটার দিকে বলেন, ‘আপাতত আমরা যা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে ডাকাতির ঘটনা। মনে হচ্ছে ৩-৪ দিন আগের ঘটনা। বাসার বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন। টাকাপয়সা যেখানে থাকে, সবকিছু ভেঙে ফেলা হয়েছে। গলায় রশি কিংবা গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
14 October 2026

১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com

রংপুরে একই পরিবারের ৪-লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
রাসেল রানা, রংপুর:   রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামের তিনতলা ভবন থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী সহ তার পরিবারের চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁদের লাশের সন্ধান পান এলাকাবাসী ও পুলিশ।
সিআইডি ও মহানগর পুলিশ ওই ভবন ঘিরে রেখেছে।
মৃত চারজন হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৪) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৮) ।
রংপুর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আবু হাসান কবির ওই চার লাশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুরো ভবনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের কেউ হত্যা করেছে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় পুরো পরিবার থাকত।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দু-তিন দিন আগে ওই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রংপুর সিআইডির দায়িত্বরত কর্মকর্তা ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের রাত একটার দিকে বলেন, ‘আপাতত আমরা যা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে ডাকাতির ঘটনা। মনে হচ্ছে ৩-৪ দিন আগের ঘটনা। বাসার বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন। টাকাপয়সা যেখানে থাকে, সবকিছু ভেঙে ফেলা হয়েছে। গলায় রশি কিংবা গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card