ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
তাজা খবর
“কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলি বেগমকে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র অভিনন্দন
উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো ১৪৪ তম খুলনা দিবস!
চট্রগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
রাজবাড়ীতে আখ ব্যবসায় প্রতি মনে প্রচুর পরিমাণ ধলতা নেওয়ার অভিযোগ কৃষকদের

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
- / ৪৪ বার পঠিত

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের মজলিশপুর গ্রামের আখ ক্রয় কেন্দ্রটি ১৯৮০ সালে স্থাপিত হলে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই আখ ক্রয় কেন্দ্রটি, এই অঞ্চলের আখ চাষিরা,আখ চাষে উৎসাহিত হয়ে শত শত বিঘা আখ চাষে ঝাঁপিয়ে পড়েন কৃষকরা ।
ধলতা হলো কৃষিপণ্য বিক্রির সময় ওজনের ওপর অতিরিক্ত পরিমাণ (সাধারণত প্রতি মণে ১-২ কেজি বা তার বেশি)। এই প্রথাটি কৃষক ও উৎপাদনকারীদের জন্য চরম অন্যায় এবং আইনত দণ্ডনীয়। এটি কৃষকদের ঠকানোর একটি উপায় হিসেবে গণ্য হয়
বর্তমানে আখের মূল্য বৃদ্ধি করা হলেও আখ চাষে অনীহা, আখ চাষে চাষিদের অনীহা বিষয়টি জানতে সরজমিনে গেলে বেরিয়ে আসে কড়াই বিক্রয় কেন্দ্রের নানা তথ্য ও অনিয়মের চিত্র, যে কারণে ফসলটি লাভজনক হলেও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন চাষীরা । চাষীদের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে অভিনব কায়দায় দুর্নীতি করছে আখ ক্রয় কেন্দ্রের ইনচার্জ, অভিযোগ একাধিক কৃষকের । বসন্তপুর ইউনিয়নের মজলিসপুর গ্রামের আখ ক্রয় কেন্দ্রের সিআইসি মোঃ আনিসুর রহমানের নিকট অভিযোগের সত্যতা জানতে আখ ক্রয় কেন্দ্রে একাধিকবার গিয়ে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি, কেন্দ্রের মৌসুমী ক্রয়ায়ী ( ডাবলু সি ) শহীদুর রহমান অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলেও সি,আই,সি বলছে তাল বাহানার কথা। ১২০০ কেজিতে ৩০ মন,কৃষকের ভাষায় এক পুঁজি, প্রতি পুঁজির মূল্য ৭৩২৮ টাকা প্রতি কেজির মূল্য ৬ টাকা ১২ পয়সা ,কৃষকের নিকট হতে গাড়ি প্রতি ধলতা বাবদ নেয়া হয় ৪০ থেকে ৫০ কেজি । একাধিক চালক ও কৃষক ধলতা নেয়ার বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন ।
এ বিষয়ে,সিআইসি মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, আখ কাঁচামাল রোদে শুকিয়ে যায় ঘাটতি পূরণে শর্টেজ) হিসাবে মিল কর্তৃপক্ষ ০০৫ পয়েন্ট ভর্তুকি প্রদান করলেও কৃষকের নিকট হতে নেয়া হয় ধলতা।
বসন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন বলেন, এক সময় শত শত বিঘা আখ চাষ করতেন বসন্তপুরের কৃষকরা, চাষীদের সঙ্গে অনিয়ম ও ধলতা নেয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবগত করে অনিয়মের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মধুখালী মিলের সাবযোন প্রধান উপ সহকারী মোঃ শাহ জালাল বলেন, আখ চাষীদের নিকট হতে সরাসরি ধলতা নেয়ার কোন নিয়ম নেই ।
জে,এইচ,কে
আরও পড়ুন:




















