বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
শীতবস্ত্রের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:২৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৬১ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বেড়েছে শীতবস্ত্রের চাহিদা। শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে দেখা দিয়েছে উপচে পড়া ভিড়। এদিকে বিক্রি বেড়েছে কটিয়াদী বাজারের মার্কেট, বিভিন্ন খোলামেলা জায়গা ও সড়কের ফুটপাতে।
রবিবার (২৮ডিসেম্বর)কটিয়াদী বাজারে বিভিন্ন মার্কেট ও উপজেলা চত্বরে ফুটপাতে দেখা যায় ক্রেতাদের সরগম। ক্রেতাদের চাহিদামতো পসরা সাজিয়ে বাহারি ডিজাইনের শীতবস্ত্র নিয়ে বসেছেন দোকানিরা। পসরা সাজিয়েছেন বিভিন্ন সড়কে শীতবস্ত্রের দোকানগুলো। গত বৃহস্পতি থেকে টানা চার দিন শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
কটিয়াদী বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, শীত বাড়লে বিক্রি বাড়ে। গত ৪-৫ দিন যাবৎ শীত বেড়েছে। ক্রেতারা দোকানে এসে ছোট বড় মাঝারিসহ সব ধরনের চাহিদামতো কম্বল নিয়ে যাচ্ছে। দোকানে সাড়ে ৪ হাজার টাকার কম্বল থেকে শুরু করে ১৩০ টাকায় কম্বল রয়েছে। শুধু শীত মৌসুমেই আমাদের গরম কাপড়ের ব্যবসা হয়।
ফুটপাতের এক শীতবস্ত্র বিক্রেতা বলেন, শীতের শুরুতে তেমন বিক্রি না হলেও গত চার দিন যাবত বিক্রি বেড়েছে। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় পুরাতন জ্যাকেট ও সুয়েটারের গাঁইট কিনে আনতে হয়েছে। এখানে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচশ টাকায় ছেলেদের পুরাতন কোট, জ্যাকেট ও সোয়েটার পাওয়া যাচ্ছে। তাছাড়া রয়েছে শিশুসহ সকল পর্যায় মানুষদের শীতবস্ত্র। সব শ্রেণিপেশার মানুষেই আমাদের কাছ থেকে কাপড় কিনছেন।
উপজেলা চত্বরে শীতবস্ত্র কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ৪ দিন যাবৎ সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি। কুয়াশা ও শীত বাড়ায় ফুটপাত থেকে শীতবস্ত্র কিনছি। আগে কারো না কারো কাছ থেকে সহায়তা পেলেও এবার এখন পর্যন্ত কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি।
শীতবস্ত্র কিনতে আসা আরেক ক্রেতা বলেন, আমি ২০০ টাকায় একটা শীতের কম্বল কিনতে এসেছি। ফুটপাতে কম দামে শীতের কাপড় পাওয়ায় ফুটপাতই আমাদের ভরসা। সরকারের সহায়তায় আগে কম্বল পাইতাম, এই সরকারের আমলে কার কাছে যাব, সেটাই বুঝি না।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রোববারের তুলনায় সোমবার(২৯ ডিসেম্বর) শীতের তীব্রতা সামান্য বাড়তে পারে।জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসজুড়েই শীতের প্রভাব থাকবে এবং শীতের অনুভূতি কমার সম্ভাবনা নেই। এতে করে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন।
এদিকে, গত কয়েকদিন ধরেই টানা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পরেছে নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে। দৈনন্দিন কাজে যেতে না পেরে মানবেতর জীবযাপন করছেন তারা।


















