ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

শ্যামনগরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অভিযানে অবৈধ বাক্স কল অপসারণ

মাহফুজুর রহমান, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৪০ বার পঠিত
উপকূলীয় অঞ্চল শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরীতে লোনা পানি উঠানোর জন্য প্রভাবশালী পানি ব্যবসায়ীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধে যত্রতত্র ছিদ্র করে পাইপ ও বাক্স কল বসিয়েছে। ফলে, বেড়ি বাঁধ দূর্বল হয়ে গিয়েছে ৷ শ্যামনগরে ২০ টার অধিক বাক্স কল রয়েছে সেখানে প্রায় অর্ধেক বাক্সকল ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় পানি উত্তোলন কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে ৷ অন্যদিকে কিছু স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ দুপাশ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ৷ সরকার মাঝে মাঝে এই বেড়িবাঁধ রক্ষার্থে কোটি কোটি টাকা বাজেট দিয়েও রক্ষা করতে পারছে না ৷
উপকূলে অবৈধ লোনা  পানি উত্তোলনের বাক্স কল বন্ধ করতে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এবং এর অধীনে প্রণীত বাংলাদেশ পানি বিধিমালা অনুযায়ী এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ  পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ ১ এর আওতাধীনে সকল অবৈধ বাক্স কল ও পাইপ অপসারণ করার জন্য গত ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মাইকের মাধ্যমে প্রচার করেন ৷ ১ মাস পর ২ সেপ্টেম্বর থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ উপকূলে অবৈধ বাক্স কল অপসারণ অভিযান পরিচালনা শুরু করেন৷
কয়েকটি ইউনিয়ন অভিযান শেষে রমজাননগর ইউনিয়নে বাঁধাগ্রস্থ হয়৷ কয়কটি বাক্স কল অপসারণ করতে আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছে কর্তৃপক্ষ ৷
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিও ইমরান হোসেন বলেন, বাক্স কলের মালিক  মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ও রমজাননগর ইউনিয়নের আকবর আলী মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন কপি দেখাচ্ছেন ৷ আইনি জটিলতার কারণে আমরা একটু সময় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করবো ৷ আমরাও মহামান্য হাইকোর্টে গিয়ে সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো ৷
অন্যদিকে রমজাননগর ইউনিয়নের পুরাতন ফুটবল মাঠের পাশে শেখ গোলাম ফারুকের, শেখ শামসুদ্দিন ( কেনা )র বাড়ির পাশে শেখ মুজিবুল হাসানের, রমজাননগর বৈদ্য বাড়ীর পাশে আব্দুল হামিদের অবৈধ বাক্স কল অপসারণে নেতাদের বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের ৷
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রনি খাতুন বলেন, একসাথে সব উচ্ছেদ না করা গেলেও পরবর্তীতে আমরা উচ্ছেদ অভিযান অব্যহত রাখবো ৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শ্যামনগরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অভিযানে অবৈধ বাক্স কল অপসারণ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
উপকূলীয় অঞ্চল শ্যামনগরে মৎস্য ঘেরীতে লোনা পানি উঠানোর জন্য প্রভাবশালী পানি ব্যবসায়ীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধে যত্রতত্র ছিদ্র করে পাইপ ও বাক্স কল বসিয়েছে। ফলে, বেড়ি বাঁধ দূর্বল হয়ে গিয়েছে ৷ শ্যামনগরে ২০ টার অধিক বাক্স কল রয়েছে সেখানে প্রায় অর্ধেক বাক্সকল ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় পানি উত্তোলন কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে ৷ অন্যদিকে কিছু স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ দুপাশ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ৷ সরকার মাঝে মাঝে এই বেড়িবাঁধ রক্ষার্থে কোটি কোটি টাকা বাজেট দিয়েও রক্ষা করতে পারছে না ৷
উপকূলে অবৈধ লোনা  পানি উত্তোলনের বাক্স কল বন্ধ করতে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩ এবং এর অধীনে প্রণীত বাংলাদেশ পানি বিধিমালা অনুযায়ী এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ  পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ ১ এর আওতাধীনে সকল অবৈধ বাক্স কল ও পাইপ অপসারণ করার জন্য গত ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মাইকের মাধ্যমে প্রচার করেন ৷ ১ মাস পর ২ সেপ্টেম্বর থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ উপকূলে অবৈধ বাক্স কল অপসারণ অভিযান পরিচালনা শুরু করেন৷
কয়েকটি ইউনিয়ন অভিযান শেষে রমজাননগর ইউনিয়নে বাঁধাগ্রস্থ হয়৷ কয়কটি বাক্স কল অপসারণ করতে আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছে কর্তৃপক্ষ ৷
পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিও ইমরান হোসেন বলেন, বাক্স কলের মালিক  মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ও রমজাননগর ইউনিয়নের আকবর আলী মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন কপি দেখাচ্ছেন ৷ আইনি জটিলতার কারণে আমরা একটু সময় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করবো ৷ আমরাও মহামান্য হাইকোর্টে গিয়ে সমাধান করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো ৷
অন্যদিকে রমজাননগর ইউনিয়নের পুরাতন ফুটবল মাঠের পাশে শেখ গোলাম ফারুকের, শেখ শামসুদ্দিন ( কেনা )র বাড়ির পাশে শেখ মুজিবুল হাসানের, রমজাননগর বৈদ্য বাড়ীর পাশে আব্দুল হামিদের অবৈধ বাক্স কল অপসারণে নেতাদের বিভিন্ন বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের ৷
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রনি খাতুন বলেন, একসাথে সব উচ্ছেদ না করা গেলেও পরবর্তীতে আমরা উচ্ছেদ অভিযান অব্যহত রাখবো ৷