
শেখ রিফান আহমেদ : ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও বিষয়কে স্মরণ করার দিন হিসেবে পালিত হয়। দিনটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা, মানবিকতা, শান্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে।
সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে মানুষের মধ্যে সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলা জরুরি। বিভেদ, সহিংসতা ও বিদ্বেষের পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া হলে সমাজ আরও নিরাপদ ও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।
১১ সেপ্টেম্বরের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শান্তিপূর্ণ ও মানবিক বিশ্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো অন্যের অধিকার ও মতামতের প্রতি সম্মান দেখানো এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।
-লেখক: সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























