ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

সরকার নাগরিকের স্বাধীনতা ও সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মৃণাল চৌধুরী সৈকত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন রয়েছে।
তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয়।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিস কক্ষে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি’র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআই’র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স।
বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা সংক্রান্ত কর্মসূচির কথা অবহিত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। তিনি এই ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একইসঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাতে আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।
মন্ত্রী সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলে জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

বাঘায় বিদেশি পিস্তল সহ ইউপি সদস্যের স্ত্রী আটক

13 September 2026

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

সরকার নাগরিকের স্বাধীনতা ও সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৬:১৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৃণাল চৌধুরী সৈকত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন রয়েছে।
তিনি বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয়।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিস কক্ষে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি’র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআই’র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স।
বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা সংক্রান্ত কর্মসূচির কথা অবহিত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। তিনি এই ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একইসঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাতে আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।
মন্ত্রী সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলে জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card