ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ১১ মে ২০২৬

সাতক্ষীরা সিটি কলেজে  পছন্দের প্রার্থীদের বিশেষ কক্ষে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর  মুখস্থ করিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৪১ বার পঠিত
মুজাহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  :
সাতক্ষীরা সিটি কলেজের কৃষি ডিপ্লোমা বিভাগে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা চলমানের মধ্যে ২ জন ল্যাব এসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর ও ১ জন মালি পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার  অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সিটি কলেজে ঘটে । যাহা আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।
অপরদিকে কথিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ার দখলের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে চলমান রিট পিটিশন নং ১৫০৮৬ / ২০২৪ মামলা চলমান রয়েছে তার পরেও আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মনিরুজ্জামান কিভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ার বসে নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন,  এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। অবাক করার বিষয় নিয়োগ প্রত্যাশীদের আজ ৪ অক্টোবর মোবাইল ফোনে কলেজে ডেকে এনে বিগত ১৮ সেপ্টেম্বর ব্যাক ডেটে অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত লিখিত পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ধরিয়ে দিয়ে পরীক্ষার হলে পিয়ন বুকে তারিখ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। যাহা একটি জালিয়াতি প্রক্রিয়া বলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকুরী প্রত্যাশীরা জানান। ল্যাব এসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে পরীক্ষা দেওয়া মোঃ  আসাদুল ইসলাম সহ কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানান, আমাদের আজ ৪ অক্টোবর  কলেজে ডেকে এনে  পিয়ন বুকে ব্যাক ডেটে  ১৮ সেপ্টেম্বর উল্লেখ করা নিয়োগ পরিক্ষার প্রবেশ পত্র ধরিয়ে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া শেষে আবারও সেই প্রবেশ পত্র পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়ে নেয়। পরীক্ষার্থীরা আরো জানান, নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার  আধা ঘন্টা আগে  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানের পছন্দের প্রার্থীদের  একটি কক্ষে নিয়ে
 পরীক্ষায় দেওয়া প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করিয়ে নেয়।  এমন ঘটনায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকুরী প্রত্যাশীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানের  সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নিয়োগ বোর্ডে অংশ নেওয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেনের কাছে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করা ও বিশেষ কক্ষে প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করিয়ে নেওয়া ও প্রবেশ পত্র নিয়ে নেওয়ার
বিষয় জানতে চাইলে বলেন,  আমি চলে এসেছিলাম। এমতবস্থায়  জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে  তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা ও নিয়োগ বোর্ড বাতিল করতে সাতক্ষীরা  জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ  কামনা করেছেন পরীক্ষায় অংশ নেয়া চাকুরি প্রত্যাশীরা।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সাতক্ষীরা সিটি কলেজে  পছন্দের প্রার্থীদের বিশেষ কক্ষে নিয়ে প্রশ্নের উত্তর  মুখস্থ করিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
মুজাহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  :
সাতক্ষীরা সিটি কলেজের কৃষি ডিপ্লোমা বিভাগে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা চলমানের মধ্যে ২ জন ল্যাব এসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর ও ১ জন মালি পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার  অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সিটি কলেজে ঘটে । যাহা আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।
অপরদিকে কথিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ার দখলের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে চলমান রিট পিটিশন নং ১৫০৮৬ / ২০২৪ মামলা চলমান রয়েছে তার পরেও আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মনিরুজ্জামান কিভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের চেয়ার বসে নিয়োগ বোর্ড গঠন করেন,  এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। অবাক করার বিষয় নিয়োগ প্রত্যাশীদের আজ ৪ অক্টোবর মোবাইল ফোনে কলেজে ডেকে এনে বিগত ১৮ সেপ্টেম্বর ব্যাক ডেটে অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত লিখিত পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ধরিয়ে দিয়ে পরীক্ষার হলে পিয়ন বুকে তারিখ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। যাহা একটি জালিয়াতি প্রক্রিয়া বলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকুরী প্রত্যাশীরা জানান। ল্যাব এসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে পরীক্ষা দেওয়া মোঃ  আসাদুল ইসলাম সহ কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানান, আমাদের আজ ৪ অক্টোবর  কলেজে ডেকে এনে  পিয়ন বুকে ব্যাক ডেটে  ১৮ সেপ্টেম্বর উল্লেখ করা নিয়োগ পরিক্ষার প্রবেশ পত্র ধরিয়ে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া শেষে আবারও সেই প্রবেশ পত্র পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়ে নেয়। পরীক্ষার্থীরা আরো জানান, নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার  আধা ঘন্টা আগে  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানের পছন্দের প্রার্থীদের  একটি কক্ষে নিয়ে
 পরীক্ষায় দেওয়া প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করিয়ে নেয়।  এমন ঘটনায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকুরী প্রত্যাশীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামানের  সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নিয়োগ বোর্ডে অংশ নেওয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেনের কাছে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করা ও বিশেষ কক্ষে প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করিয়ে নেওয়া ও প্রবেশ পত্র নিয়ে নেওয়ার
বিষয় জানতে চাইলে বলেন,  আমি চলে এসেছিলাম। এমতবস্থায়  জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে  তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা ও নিয়োগ বোর্ড বাতিল করতে সাতক্ষীরা  জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ  কামনা করেছেন পরীক্ষায় অংশ নেয়া চাকুরি প্রত্যাশীরা।