ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক সিলগালা ‎ ‎

আরিফুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / ৩৬ বার পঠিত

অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক পরিচালনার অভিযোগের ভিত্তিতে আজ (২৪ জুন) বগুড়া সদরের জমজম ইসলামিয়া ক্লিনিকে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদুল ইসলাম ও সদর সেনা ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট ফাহাদ। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এস এম নূর-ই-শাদী।

‎অভিযান চলাকালে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, উক্ত ক্লিনিকটি কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিল। এছাড়াও ক্লিনিকটিতে মারাত্মক অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিভিন্ন দিক পরিলক্ষিত হয়।

‎পরবর্তীতে ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয় এবং সেখান থেকে ২৩টি মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়। ক্লিনিকের মালিক আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের এই সমন্বিত অভিযান সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ন্ত্রণে এরূপ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক সিলগালা ‎ ‎

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:২৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক পরিচালনার অভিযোগের ভিত্তিতে আজ (২৪ জুন) বগুড়া সদরের জমজম ইসলামিয়া ক্লিনিকে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশিদুল ইসলাম ও সদর সেনা ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট ফাহাদ। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এস এম নূর-ই-শাদী।

‎অভিযান চলাকালে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, উক্ত ক্লিনিকটি কোনো ধরনের বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিল। এছাড়াও ক্লিনিকটিতে মারাত্মক অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিভিন্ন দিক পরিলক্ষিত হয়।

‎পরবর্তীতে ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয় এবং সেখান থেকে ২৩টি মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়। ক্লিনিকের মালিক আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের এই সমন্বিত অভিযান সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ন্ত্রণে এরূপ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।