ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবি: রবীন্দ্র শিক্ষার্থীদের অবরোধে অচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়ক

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৫৪ বার পঠিত
মনিরুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ:
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও কর্মচারীদের চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে।টানা কর্মসূচির দ্বাদশ দিনে, রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে তারা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।এর ফলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ২২টি জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে,যা মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজট ও যাত্রী দুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে।
আন্দোলনের কারণ ও পটভূমি:
আন্দোলনকারীরা জানান,সম্প্রতি পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসানের একটি সুপারিশকে কেন্দ্র করে তাদের এই কঠোর কর্মসূচি।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভাড়া করা ভবনে চলছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম। শাহজাদপুরের রাউতারা মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রথমে ৯ হাজার ২৩৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হলেও নানা জটিলতায় তা বিলম্বিত হয়।
পরবর্তীতে প্রকল্পটি সংশোধন করে ১০০ একর জমির উপর ৫১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়,যা বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।কিন্তু সম্প্রতি এলাকা পরিদর্শন শেষে পরিবেশ উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসান প্রস্তাবিত স্থানে ক্যাম্পাস নির্মাণের বিপক্ষে মত দেন বলে অভিযোগ ওঠে।এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন।
মাঠের পরিস্থিতি:
আজ রোববার সকাল থেকে মহাসড়কের চার লেনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের স্লোগানে পরিবেশ উপদেষ্টার সুপারিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ পায়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই দিকে শত শত বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ায় হাজার হাজার যাত্রী, বিশেষ করে নারী, শিশু ও রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং এর বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা মহাসড়ক ছাড়বেন না।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবি: রবীন্দ্র শিক্ষার্থীদের অবরোধে অচল ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়ক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
মনিরুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ:
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও কর্মচারীদের চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে।টানা কর্মসূচির দ্বাদশ দিনে, রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে তারা সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।এর ফলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ২২টি জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে,যা মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজট ও যাত্রী দুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে।
আন্দোলনের কারণ ও পটভূমি:
আন্দোলনকারীরা জানান,সম্প্রতি পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসানের একটি সুপারিশকে কেন্দ্র করে তাদের এই কঠোর কর্মসূচি।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভাড়া করা ভবনে চলছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম। শাহজাদপুরের রাউতারা মৌজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রথমে ৯ হাজার ২৩৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হলেও নানা জটিলতায় তা বিলম্বিত হয়।
পরবর্তীতে প্রকল্পটি সংশোধন করে ১০০ একর জমির উপর ৫১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়,যা বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।কিন্তু সম্প্রতি এলাকা পরিদর্শন শেষে পরিবেশ উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসান প্রস্তাবিত স্থানে ক্যাম্পাস নির্মাণের বিপক্ষে মত দেন বলে অভিযোগ ওঠে।এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন।
মাঠের পরিস্থিতি:
আজ রোববার সকাল থেকে মহাসড়কের চার লেনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের স্লোগানে পরিবেশ উপদেষ্টার সুপারিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ পায়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই দিকে শত শত বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ায় হাজার হাজার যাত্রী, বিশেষ করে নারী, শিশু ও রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং এর বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা মহাসড়ক ছাড়বেন না।