ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৪৬ বার পঠিত
মাদারীপুরের কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ডিসেম্বর মাদারীপুরের কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস। আর এই হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে কালকিনি উপজেলা প্রশাসন আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সহ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপত্বে কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলুল হক বেপারিসহ বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযুদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালের এ দিনে শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা। এদিন পাঁচজন কমান্ডারের নেতৃত্বে কালকিনি উপজেলার সিডিখান, এনায়েতনগর, সমিতিরহাট ছাড়াও পাশের বরিশালের গৌরনদী ও মুলাদী উপজেলা ও কালকিনির সীমান্তবর্তী ৩টি স্থানে মুখোমুখি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পুরো দেশ স্বাধীন হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই পাকিস্থানি হানাদার মুক্ত হয় কালকিনি উপজেলা।
জানা যায়,মুক্তিযুদ্ধের সময় এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে কালকিনি উপজেলার ভূরঘাটায় ক্যাম্প স্থাপন করে পাকিস্তানি বাহিনী। সেখানে বাঙালিদের ধরে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিত পাকিস্তানি বাহিনী। ব্রিজের নিচের পানি বাঙ্গালীদের লাল রক্তে রঞ্জিত হওয়ায় এই ব্রিজের নাম হয় লালপোল বা লালব্রিজ। যা এখনও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।
কালকিনি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। তাদের জন্য কালকিনিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে একটি জাদুঘর করলে ভালো হয়।
এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন বলেন, দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
মাদারীপুরের কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ডিসেম্বর মাদারীপুরের কালকিনি হানাদার মুক্ত দিবস। আর এই হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে কালকিনি উপজেলা প্রশাসন আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছেন। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সহ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপত্বে কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলুল হক বেপারিসহ বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযুদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালের এ দিনে শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা। এদিন পাঁচজন কমান্ডারের নেতৃত্বে কালকিনি উপজেলার সিডিখান, এনায়েতনগর, সমিতিরহাট ছাড়াও পাশের বরিশালের গৌরনদী ও মুলাদী উপজেলা ও কালকিনির সীমান্তবর্তী ৩টি স্থানে মুখোমুখি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পুরো দেশ স্বাধীন হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই পাকিস্থানি হানাদার মুক্ত হয় কালকিনি উপজেলা।
জানা যায়,মুক্তিযুদ্ধের সময় এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে কালকিনি উপজেলার ভূরঘাটায় ক্যাম্প স্থাপন করে পাকিস্তানি বাহিনী। সেখানে বাঙালিদের ধরে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিত পাকিস্তানি বাহিনী। ব্রিজের নিচের পানি বাঙ্গালীদের লাল রক্তে রঞ্জিত হওয়ায় এই ব্রিজের নাম হয় লালপোল বা লালব্রিজ। যা এখনও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।
কালকিনি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। তাদের জন্য কালকিনিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে একটি জাদুঘর করলে ভালো হয়।
এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন বলেন, দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।