ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

৪-খেয়াঘাটে ইজারা ছাড়াই অতিরিক্ত টোল আদায় করার অভিযোগ

মজনু মিয়া,গাইবান্ধা:   পলাশবাড়ির কিশোর গাড়ি  ইউনিয়নের  ৪টি খেয়া ঘাটে ইজারা ছাড়াও অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ।  ইজারা না হওয়ায় প্রতি বৎসর    হাজার হাজার টাকা রাজস্ব হারাচ্ছেন সরকার। সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কিশোর গাড়ি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীতে  ৪টি খেয়াঘাট রয়েছে তারমধ্যে ২টি খেয়াঘাট  রয়েছে জন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিন হাজারের অধিক বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ সহ   রিক্সা,ভ্যান, মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল পারাপার হয়ে থাকে। ঘাট গুলো সরকারিভাবে ইজারা না হলেও  ৩ লক্ষ টাকার অধিক  প্রতি বৎসর গোপনে ইজারা হয়ে থাকে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান।
এতে প্রতি বছর রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সম্প্রতি হাজির ঘাটে গিয়া এলাকা বাসি সুত্রে জানা যায়।এই ঘাটটি জাভেদ মন্ডল  ইজারা নিয়েছে। প্রতি  এক বছর পারাপারের জন্য এলাকার ৫ শত পরিবার বছরে ১ মন করে ধান জমা বাধা রয়েছে।
জমার বাহিরে লোক পারাপারে প্রতি মানুষ ১০ টাকা ভ্যান ৩০ টাকা ও মটরসাইকেল ২০ টাকা করে এক পারে নৌকা ভাড়া বাবদ নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র বর্মন জানায় চারটি ঘাটের মধ্যে  ২ টি  ঘাট আমার জানা আছে। তার মধ্যে চকবালা মৌজায় ঋষিঘাট যার দাগ নং ১৭ জমির পরিমাণ ২১,৭১ শতক। হাসানখোর মৌজায় হাজির ঘাট, যার দাগ নং ২৯৩ জমির পরিমান ৭,৬৮ শতক।এছাড়া ২ টি ঘাট রয়েছে, সুলতানপুর ঘাট ও অলির ঘাট ।
এই ৪টি খেয়াঘাট কোথায় কিভাবে  ইজারা দেওয়া হয়েছে তা চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা  কেউ জানেনা । অথচ অধিক পরিমাণে টোল আদায় করা হচ্ছে তাতে একদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ অপর দিকে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
ভুক্তভোগী এলাকা বাসির দাবি এই অবস্থার নিরাশন কল্পে   সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
14 October 2026

১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com

৪-খেয়াঘাটে ইজারা ছাড়াই অতিরিক্ত টোল আদায় করার অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
মজনু মিয়া,গাইবান্ধা:   পলাশবাড়ির কিশোর গাড়ি  ইউনিয়নের  ৪টি খেয়া ঘাটে ইজারা ছাড়াও অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ।  ইজারা না হওয়ায় প্রতি বৎসর    হাজার হাজার টাকা রাজস্ব হারাচ্ছেন সরকার। সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কিশোর গাড়ি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীতে  ৪টি খেয়াঘাট রয়েছে তারমধ্যে ২টি খেয়াঘাট  রয়েছে জন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিন হাজারের অধিক বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ সহ   রিক্সা,ভ্যান, মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল পারাপার হয়ে থাকে। ঘাট গুলো সরকারিভাবে ইজারা না হলেও  ৩ লক্ষ টাকার অধিক  প্রতি বৎসর গোপনে ইজারা হয়ে থাকে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান।
এতে প্রতি বছর রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সম্প্রতি হাজির ঘাটে গিয়া এলাকা বাসি সুত্রে জানা যায়।এই ঘাটটি জাভেদ মন্ডল  ইজারা নিয়েছে। প্রতি  এক বছর পারাপারের জন্য এলাকার ৫ শত পরিবার বছরে ১ মন করে ধান জমা বাধা রয়েছে।
জমার বাহিরে লোক পারাপারে প্রতি মানুষ ১০ টাকা ভ্যান ৩০ টাকা ও মটরসাইকেল ২০ টাকা করে এক পারে নৌকা ভাড়া বাবদ নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র বর্মন জানায় চারটি ঘাটের মধ্যে  ২ টি  ঘাট আমার জানা আছে। তার মধ্যে চকবালা মৌজায় ঋষিঘাট যার দাগ নং ১৭ জমির পরিমাণ ২১,৭১ শতক। হাসানখোর মৌজায় হাজির ঘাট, যার দাগ নং ২৯৩ জমির পরিমান ৭,৬৮ শতক।এছাড়া ২ টি ঘাট রয়েছে, সুলতানপুর ঘাট ও অলির ঘাট ।
এই ৪টি খেয়াঘাট কোথায় কিভাবে  ইজারা দেওয়া হয়েছে তা চেয়ারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা  কেউ জানেনা । অথচ অধিক পরিমাণে টোল আদায় করা হচ্ছে তাতে একদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ অপর দিকে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
ভুক্তভোগী এলাকা বাসির দাবি এই অবস্থার নিরাশন কল্পে   সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

Share this news as a Photo Card