ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হল

ভুক্তভোগীদের কুড়কুড়ানি দেখে নিতে চান প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা

মোমিন ইসলাম, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৬ বার পঠিত
মোমিন ইসলাম, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুরমা আক্তার ইতিকে মানসিক ভাবে টর্চারের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তম ব্যাচের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবার বিরুদ্ধে। গতকাল রুমকেন্দ্রীক ঝামেলাকে কেন্দ্র করে মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হলে স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ইতি। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য এ্যাম্বুলেন্সে করে মেডিকেলে নেওয়া হয়।  এঘটনায় হলের অন্য শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে হল প্রভোস্টের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে অফিস টামের বাইরে তাকে ফোন দেওয়া যাবেনা বলে জানান দোলনচাঁপা হলের প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা।
ঘটনার বিষয়ে জানতে ঐ প্র়ভোস্টের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের হওয়ায় বিচার কিংবা কোন তদন্ত না করেই উল্টো ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থীদের কুড়কুড়ানি দেখে নিতে চান প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা। এছাড়াও সাংবাদিকদের কাছে অভিযুক্তকারী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে হল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও প্রদান করেছেন ঐ প্রভোস্ট।
সাংবাদিকের সাথে কথাপোকথনের কল রেকর্ডটি রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তুমুল সমালোচনা শুরু হয় ঐ প্রভোস্টকে নিয়ে। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার পদত্যাগ চান শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইতির অভিযোগ উম্মে হাবিবা মাজারে বিশ্বাসী হওয়ায় সে নিজে নামাজ রোজা করে না উল্টো আমি রুমে নামাজ পড়তে গেলে আমাকে মাসনিকভাবে নির্যাতন করে। এমনকি রোজার মাসে সাহরির সময়ে রুমে লাইট জ্বালালেও সে একই কাজ করে। এছাড়াও তানিসা আক্তার মিম নামের এক শিক্ষার্থীর অভিযোগ ঐ রুমে এলটমেন্ট থাকার পরও হাবিবার নির্যাতনের ফলে ৩ বছর ধরে থাকতে না পারেননি তিনি। এছাড়াও উম্মে হাবিবার নির্যাতনে এর আগে ৩ জন শিক্ষার্থী ঐ রুম ছাড়তে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন জহুরা আক্তার নামের আরেক শিক্ষার্থী ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হল

ভুক্তভোগীদের কুড়কুড়ানি দেখে নিতে চান প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মোমিন ইসলাম, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুরমা আক্তার ইতিকে মানসিক ভাবে টর্চারের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তম ব্যাচের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবার বিরুদ্ধে। গতকাল রুমকেন্দ্রীক ঝামেলাকে কেন্দ্র করে মানসিকভাবে নির্যাতন চালানো হলে স্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ইতি। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য এ্যাম্বুলেন্সে করে মেডিকেলে নেওয়া হয়।  এঘটনায় হলের অন্য শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে হল প্রভোস্টের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে অফিস টামের বাইরে তাকে ফোন দেওয়া যাবেনা বলে জানান দোলনচাঁপা হলের প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা।
ঘটনার বিষয়ে জানতে ঐ প্র়ভোস্টের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের হওয়ায় বিচার কিংবা কোন তদন্ত না করেই উল্টো ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থীদের কুড়কুড়ানি দেখে নিতে চান প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা। এছাড়াও সাংবাদিকদের কাছে অভিযুক্তকারী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে হল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও প্রদান করেছেন ঐ প্রভোস্ট।
সাংবাদিকের সাথে কথাপোকথনের কল রেকর্ডটি রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তুমুল সমালোচনা শুরু হয় ঐ প্রভোস্টকে নিয়ে। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার পদত্যাগ চান শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইতির অভিযোগ উম্মে হাবিবা মাজারে বিশ্বাসী হওয়ায় সে নিজে নামাজ রোজা করে না উল্টো আমি রুমে নামাজ পড়তে গেলে আমাকে মাসনিকভাবে নির্যাতন করে। এমনকি রোজার মাসে সাহরির সময়ে রুমে লাইট জ্বালালেও সে একই কাজ করে। এছাড়াও তানিসা আক্তার মিম নামের এক শিক্ষার্থীর অভিযোগ ঐ রুমে এলটমেন্ট থাকার পরও হাবিবার নির্যাতনের ফলে ৩ বছর ধরে থাকতে না পারেননি তিনি। এছাড়াও উম্মে হাবিবার নির্যাতনে এর আগে ৩ জন শিক্ষার্থী ঐ রুম ছাড়তে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন জহুরা আক্তার নামের আরেক শিক্ষার্থী ।