ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

গ্যাস সংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:    দেশে চলমান গ্যাস সংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সংকটের কারণে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরকার দ্রুত সংকট কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, গত সপ্তাহ থেকে গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে এর তীব্রতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বিপরীতে সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে উৎপাদন হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাকি অংশ আমদানিকৃত এলএনজি থেকে আসছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলেও এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এ বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটির কারণে আমদানিকৃত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশা করা হলেও পরে যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বিশেষজ্ঞ এনে মেরামত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী এফএসআরইউটির বয়লারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের সঙ্গে এক্সিলারেট এনার্জির নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত স্বাভাবিক হবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে পূর্ণ সক্ষমতায় সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানায় সরবরাহের কাজ চলছে। পাশাপাশি একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে এবং মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি খাতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের ঘাটতি ছিল। তার দাবি, পূর্ববর্তী সরকার তাৎক্ষণিক সমাধানের ওপর নির্ভর করায় বর্তমান সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

বাঘায় বিদেশি পিস্তল সহ ইউপি সদস্যের স্ত্রী আটক

13 September 2026

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

গ্যাস সংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:    দেশে চলমান গ্যাস সংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সংকটের কারণে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরকার দ্রুত সংকট কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, গত সপ্তাহ থেকে গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে এর তীব্রতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বিপরীতে সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে উৎপাদন হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাকি অংশ আমদানিকৃত এলএনজি থেকে আসছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলেও এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এ বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটির কারণে আমদানিকৃত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশা করা হলেও পরে যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বিশেষজ্ঞ এনে মেরামত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী এফএসআরইউটির বয়লারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সরকারের সঙ্গে এক্সিলারেট এনার্জির নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত স্বাভাবিক হবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে পূর্ণ সক্ষমতায় সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানায় সরবরাহের কাজ চলছে। পাশাপাশি একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে এবং মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি খাতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের ঘাটতি ছিল। তার দাবি, পূর্ববর্তী সরকার তাৎক্ষণিক সমাধানের ওপর নির্ভর করায় বর্তমান সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

Share this news as a Photo Card