শহর জুড়ে অসহনীয় যানজট চরম ভোগান্তিতে জনগণ নগরবাসীর একের পর এক অভিযোগ থাকলেও নীরব ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ।
সকল শ্রেণীর ভুক্তভোগী জনগণ নগর কর্তৃপক্ষের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলছে আপনারা বড় বড় কথা বলতে পারেন কিন্তু কাজে ঠনঠন, কারন হাতেগোনা মাত্র কয়েক বছর আগেও খুলনা ছিল শান্তির নগরী বসবাস চলাফেরা সহ সর্বক্ষেত্রে যানবাহন থেকে শুরু করে পায়ে হেঁটে চলায় একেবারেই অন্যরকম স্বাচ্ছন্দ্য ছিল কিন্তু মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই চিরচেনা শহরটি যেন হারিয়ে গেছে, রাস্তায় বেরহলে যানজট, এলাকা ভিত্তিক ঘনবসতি, সাথে ইঞ্জিন চালিত রিকশা ইজি বাইক বেপরোয়াভাবে চলাফেরার কারণে যত্রতত্র প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা সবকিছু মিলে ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হয়েছে খুলনা। যানবাহনের যানজট যেমন তেমন পাশাপাশি নগরবাসীর অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন মহল্লা ও শহরের জনগণের চলাচলের ফুটপাত দখল করে পথচারীদের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে ফুটপাত ব্যবসায়ীরা যার কারনে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে শহর জুড়ে
ফলে ভোগান্তির শেষ নাই নগরবাসীর । অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন এবং অসংখ্য ইজিবাইক দখল করে রেখেছে প্রধান প্রধান সড়ক। সকালে স্কুলও অফিস গামীদের সৃষ্ট যানজটের কারণ বিরম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।
আর এ সকল যানজট বেশিরভাগই লক্ষ্য করা যায় নগরীর শিববাড়ী, পাওয়ার হাউজ মোড়, ফেরিঘাট, ডাকবাংলো, শান্তিধাম, ময়লাপোতা মোড়, শামসুর রহমান রোড, কমার্স কলেজ মোড়, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, সিমেট্টি রোড, স্যার ইকবাল রোড, পিটিআই মোড়, টুটপাড়া কবরখানা মোড়, সাতরাস্তার মোড়, ফুলমার্কেট, ক্লে রোড, কদমতলা স্টেশন রোড, কালীবাড়ি রোডসহ নগরীর ব্যস্ততম সড়কে প্রতিদিনই আটকে পড়ছে কর্মব্যস্ত মানুষ। এসব স্থান দখল নিয়েছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক ও বেপরোয়া মাহেন্দ্রা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বহিরাগত অতিরিক্ত ইজিবাইক ও মোটরচালিত রিকশা শহরের বুক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আর এ কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে তীব্র যানজট।
যে কারণে ক্ষুব্ধ নগরবাসী কএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বলেন, ‘অবৈধ ইজিবাইক ও অনিয়ন্ত্রিত মোটরচালিত রিকশা যানজটের মূল কারণ। যানজট নিরাসনে নগরীর বিভিন্নস্থানে ৩৮৮ জন পুলিশ কাজ করছেন। ১০ হাজার ইজিবাইকের চলাচলের অনুমতি থাকলেও অতিরিক্ত আরও ১৫ হাজার মোটরচালিত রিকশা খুলনার বুক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।’তিনি বলেন, বেলা ১১টার পর থেকে পিকচার প্যালেস-থানার মোড় পর্যন্ত যানবাহনের গতি স্লো হয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর আবার সচল হয়। তাছাড়া সড়কে চলাচলের জন্য যে কোনো বহনকে বিআরটিএ পারমিট দেয়। একমাত্র খুলনায় ইজিবাইক চলাচলের জন্য অনুমতি দিয়েছে কেসিসি। সড়কে যদি যানজট বাধে তাহলে এটা দেখার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের, আমাদের নয়। তারপরও এটা নিরাসনে কেএমপি’র ট্রাফিক ভবন আপ্রাণ চেষ্টা করছে।’
ডাকবাংলো মোড়ে কথা হয় শহীদুলের সাথে। তিনি বলেন, কোথাও কোনো শৃঙ্খলা নেই। মোড়ে মোড়ে অঘোষিত স্ট্যান্ড তৈরি করেছে ইজিবাইকের চালকরা। অদক্ষ চালকের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। যেখানে সেখানে পরিবহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করে। বিবিধ কারণে যানজটের মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয় যেটা দেখার কেউ নেই।’ইজিবাইক চালক রহিম জানান, ‘অনুমোদিত যাত্রী পরিবহনে ইজিবাইকের সঠিক সংখ্যা আট হাজার। বছর ঘুরে যে কোনো উৎসব এলেই প্রশাসনকে ম্যানেজ করে শহরের বাইরে থেকে অনুমোদনবিহীন পরিবহন শহরে প্রবেশ করে সৃষ্টি করে তীব্র যানজট।

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো: 



















