নাগরিকভাবনা ডেস্ক: দেশের অধিকাংশ ড্রাইভার ফিটনেসবিহীন, তারা হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সবার অঙ্গীকার হবে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে যেন সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে পারি। আমার কাছে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পাঁচটি কারণ মনে হয়েছে। এতো গবেষণার প্রয়োজন নেই। এর মধ্যে ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ফিটনেসবিহীন ড্রাইভার। দেশের অধিকাংশ ড্রাইভার ফিটনেসবিহীন কারণ তারা হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছেন। আর হচ্ছে সচেতনতার অভাব। এছাড়া রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত গতি।’
সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবছর ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন। এ সংখ্যাটি হ্রাস করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার।’
তিনি বলেন, ‘হাইওয়ের পাশের হাসপাতালগুলোতে আলাদা ইউনিট গঠন ও ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যাতে এম্বুলেন্স থাকে তা নিশ্চিত করা হবে।’
এ সময় ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়নের কথাও জানান তিনি।
পরে দুর্ঘটনা পরবর্তী চিকিৎসা সেবায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেল উদ্বোধন করা হয়।

নাগরিকভাবনা ডেস্ক 






















