আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী করিডোর তৈরির বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে ইরান ও ওমান। ওমানের মাসকাটে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ওমান উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর এই উদ্যোগটি সামনে এল।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি সরবরাহ প্রায় বন্ধ রয়েছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে ইরান ও ওমান একটি ‘অস্থায়ী নৌ-চলাচল করিডোর’ গঠন এবং সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের বিষয়ে একমত হয়েছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওই এলাকার সব মাইন ইতিমধ্যেই পরিষ্কার করা হয়েছে।
ব্যারন ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্কিত ভিডিও
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিও ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ওই ভিডিওতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ বছর বয়সী ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং নজরদারি চালাচ্ছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও তেলের বাজার
ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিলেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্টো কমেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হবে না। এদিকে, উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার আভাস দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দূতাবাসে পুনরায় কর্মী পাঠানো শুরু করেছে ওয়াশিংটন।
সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় কংগ্রেস নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড পরিমাণে কমেছে বলে রয়টার্স ও ইপসোস-এর জরিপে উঠে এসেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















