ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় কৃষক

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম:   চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার আকাশে প্রতিদিনই কালো মেঘের আনাগোনা থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বর্ষার প্রথম মাস আষাঢ় প্রায় শেষের দিকে, অথচ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দুই উপজেলার কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমিতে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় গরু কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। ফলে আমন ধানের আবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বছরের এই সময়টিতে মাঠে ধান রোপণের ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ জমি এখনো অনাবাদি পড়ে রয়েছে।
কৃষকদের ভাষ্য, কৃষিকাজই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। সারা বছরের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে তারা আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
লোহাগাড়ার এক কৃষক বলেন, “আষাঢ় প্রায় শেষ, কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হয়নি। জমিতে পানি না থাকায় ট্রাক্টর নামাতে পারছি না। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন রহমতের বৃষ্টি দান করেন। তাহলে ধান রোপণ করে শীত মৌসুমে ফসল ঘরে তুলতে পারব।”
এদিকে বৃষ্টির অভাবে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। অনেকের মতে, বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া যেন চৈত্র মাসের দাবদাহের মতো। অতিরিক্ত গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।
অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
কৃষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আল্লাহর রহমতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নেমে আসুক। তাহলে জমিতে চাষাবাদ শুরু হবে, কৃষকের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি এবং প্রকৃতি ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক রূপ।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশই আরও শক্তিশালী করবে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতি

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক জহিরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

আষাঢ়েও কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় কৃষক

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১০:৩৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম:   চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার আকাশে প্রতিদিনই কালো মেঘের আনাগোনা থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বর্ষার প্রথম মাস আষাঢ় প্রায় শেষের দিকে, অথচ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দুই উপজেলার কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমিতে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় গরু কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। ফলে আমন ধানের আবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বছরের এই সময়টিতে মাঠে ধান রোপণের ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ জমি এখনো অনাবাদি পড়ে রয়েছে।
কৃষকদের ভাষ্য, কৃষিকাজই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। সারা বছরের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে তারা আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
লোহাগাড়ার এক কৃষক বলেন, “আষাঢ় প্রায় শেষ, কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হয়নি। জমিতে পানি না থাকায় ট্রাক্টর নামাতে পারছি না। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন রহমতের বৃষ্টি দান করেন। তাহলে ধান রোপণ করে শীত মৌসুমে ফসল ঘরে তুলতে পারব।”
এদিকে বৃষ্টির অভাবে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। অনেকের মতে, বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া যেন চৈত্র মাসের দাবদাহের মতো। অতিরিক্ত গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।
অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
কৃষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আল্লাহর রহমতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নেমে আসুক। তাহলে জমিতে চাষাবাদ শুরু হবে, কৃষকের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি এবং প্রকৃতি ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক রূপ।

Share this news as a Photo Card