ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন

উদ্বোধনের তিন বছরেও চালু হয়নি ২৫০-শয্যা হাসপাতাল

আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   আধুনিক ভবন দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু নেই চিকিৎসাসেবা। উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি ঝালকাঠির বহুল প্রত্যাশিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল। ফলে উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শনিবার সকালে হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।
ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে জেলা জামায়াতে ইসলামী ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় হাসপাতালটি দ্রুত চালুর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি ফরিদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হাইসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে থাকলেও তা চালুর কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে জেলার সাধারণ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে বরিশালসহ দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ছে দুর্ভোগ, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীর জীবন।
তারা অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই হাসপাতালটি চালু হচ্ছে না। দেশের অন্যান্য জেলায় একই ধরনের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু থাকলেও ঝালকাঠির মানুষ এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এটি জেলার মানুষের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার একটি স্পষ্ট উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ঝালকাঠি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০১৮ সালে। ২০২৩ সালে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও আজও সেখানে চিকিৎসাসেবা শুরু হয়নি। উদ্বোধনের পর প্রায় তিন বছর ধরে হাসপাতালটি কার্যক্রমবিহীন থাকায় জেলার কয়েক লাখ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয়

রাজবাড়ীতে ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৯টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
26 August 2026

দুদকের মহাপরিচালক ও পরিচালক পদে রদবদল

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

দ্রুত চালুর দাবিতে মানববন্ধন

উদ্বোধনের তিন বছরেও চালু হয়নি ২৫০-শয্যা হাসপাতাল

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১০:৫৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
আবু জাফর বিশ্বাস, ঝালকাঠি:   আধুনিক ভবন দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু নেই চিকিৎসাসেবা। উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি ঝালকাঠির বহুল প্রত্যাশিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল। ফলে উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শনিবার সকালে হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।
ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে জেলা জামায়াতে ইসলামী ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় হাসপাতালটি দ্রুত চালুর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি ফরিদুল হক, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হাইসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে থাকলেও তা চালুর কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এতে জেলার সাধারণ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে বরিশালসহ দূরের হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ছে দুর্ভোগ, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীর জীবন।
তারা অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই হাসপাতালটি চালু হচ্ছে না। দেশের অন্যান্য জেলায় একই ধরনের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল চালু থাকলেও ঝালকাঠির মানুষ এখনো সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এটি জেলার মানুষের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার একটি স্পষ্ট উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ঝালকাঠি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০১৮ সালে। ২০২৩ সালে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও আজও সেখানে চিকিৎসাসেবা শুরু হয়নি। উদ্বোধনের পর প্রায় তিন বছর ধরে হাসপাতালটি কার্যক্রমবিহীন থাকায় জেলার কয়েক লাখ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

Share this news as a Photo Card