ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ 

মো. জাহিদ হাসান,  ঈশ্বরগঞ্জ ,ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • / ৮৫ বার পঠিত
অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। কিন্তু প্রায় ৩ মাসেও কোনো সুরাহা পান নি তাঁরা। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো খোঁজ নেওয়া হয় নি অভিযোগ বিষয়ে। এতে হতাশা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। উপজেলার আঠারোবাড়ি ইউনিয়নের ঘটনা এটি।
আঠারোবাড়ি ইউনিয়নের রায় বাজারের কিছু ব্রয়লার মুরগী বিক্রেতা গত ০৬/০৫/২৫ তারিখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তাঁদের থেকে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে বলে জানান। সেই সাথে সেটি বন্ধের দাবি করেন। কিন্তু প্রায় তিন মাস পাড় হলেও কোনো উদ্যোগ নেয় নি প্রশাসন। এমনকি একবার গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই-বাছাই করারও প্রয়োজন মনে করে নি। এভাবেই হতাশা ব্যক্ত করছিলেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। অভিযোগে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, পূর্বে তাঁদের নিজস্ব দোকান থেকে কোনো খাজনা দিতে হতো না। কিন্তু এখন তাঁদের দোকান থেকেও মুরগি প্রতি ১টাকা হারে খাজনা দিতে হয়। এটি অন্যায় বলে দাবি করেন ব্রয়লার মরুগি ব্যবসায়ীরা। তাই তাঁরা সেটি বাতিলের দাবি জানান তৎকালীন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর।
সরেজমিনে কথা হয় ব্রয়লার মুরগি ব্যবসায়ী শাহীন মিয়ার সাথে। তিনি জানান, ‘আগে কখনও এভাবে খাজনা নেওয়া হয় নি। শুধু যারা মহালে মুরগির ব্যবসা করতো তাদেরকেই খাজনা দিতে হতো’।
আরেক ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম মুরগির ব্যবসা করছেন ৩বছর ধরে। আগে খাজনা না দিতে হলেও এবার তাঁকে অতিরিক্ত খাজনা দিতে হচ্ছে বলে জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক মুরগি ব্যবসায়ী বলেন, ‘মুরগি মহালের বাইরে যারা নিজস্ব দোকানে মুরগি বিক্রি করে তাঁদের আগে কোনদিন খাজনা দিতে হয় নি। শুধু যারা মুরগি মহালে মুরগি বিক্রি করবে তাঁরাই খাজনা দিতো। কিন্তু হঠাৎ করে ইচ্ছেমত নিয়ম বানিয়ে আমাদের থেকে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়া হচ্ছে ’।
মুরগি মহালের ইজারাদার মানিক মিয়া মুঠোফোনে জানান, ‘নিজস্ব দোকান থেকে খাজনা আদায়ের নিয়ম না থাকলেও দোকান মালিকদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’।
এ বিষয়ে কথা বলতে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগের কপি পাঠানো হলে এবং অভিযোগ বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন,‘এটা তো আমার সময়ের পত্র না’।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১১:১৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেয় কয়েকজন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী। কিন্তু প্রায় ৩ মাসেও কোনো সুরাহা পান নি তাঁরা। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো খোঁজ নেওয়া হয় নি অভিযোগ বিষয়ে। এতে হতাশা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। উপজেলার আঠারোবাড়ি ইউনিয়নের ঘটনা এটি।
আঠারোবাড়ি ইউনিয়নের রায় বাজারের কিছু ব্রয়লার মুরগী বিক্রেতা গত ০৬/০৫/২৫ তারিখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তাঁদের থেকে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে বলে জানান। সেই সাথে সেটি বন্ধের দাবি করেন। কিন্তু প্রায় তিন মাস পাড় হলেও কোনো উদ্যোগ নেয় নি প্রশাসন। এমনকি একবার গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই-বাছাই করারও প্রয়োজন মনে করে নি। এভাবেই হতাশা ব্যক্ত করছিলেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। অভিযোগে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, পূর্বে তাঁদের নিজস্ব দোকান থেকে কোনো খাজনা দিতে হতো না। কিন্তু এখন তাঁদের দোকান থেকেও মুরগি প্রতি ১টাকা হারে খাজনা দিতে হয়। এটি অন্যায় বলে দাবি করেন ব্রয়লার মরুগি ব্যবসায়ীরা। তাই তাঁরা সেটি বাতিলের দাবি জানান তৎকালীন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর।
সরেজমিনে কথা হয় ব্রয়লার মুরগি ব্যবসায়ী শাহীন মিয়ার সাথে। তিনি জানান, ‘আগে কখনও এভাবে খাজনা নেওয়া হয় নি। শুধু যারা মহালে মুরগির ব্যবসা করতো তাদেরকেই খাজনা দিতে হতো’।
আরেক ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম মুরগির ব্যবসা করছেন ৩বছর ধরে। আগে খাজনা না দিতে হলেও এবার তাঁকে অতিরিক্ত খাজনা দিতে হচ্ছে বলে জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক মুরগি ব্যবসায়ী বলেন, ‘মুরগি মহালের বাইরে যারা নিজস্ব দোকানে মুরগি বিক্রি করে তাঁদের আগে কোনদিন খাজনা দিতে হয় নি। শুধু যারা মুরগি মহালে মুরগি বিক্রি করবে তাঁরাই খাজনা দিতো। কিন্তু হঠাৎ করে ইচ্ছেমত নিয়ম বানিয়ে আমাদের থেকে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়া হচ্ছে ’।
মুরগি মহালের ইজারাদার মানিক মিয়া মুঠোফোনে জানান, ‘নিজস্ব দোকান থেকে খাজনা আদায়ের নিয়ম না থাকলেও দোকান মালিকদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’।
এ বিষয়ে কথা বলতে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগের কপি পাঠানো হলে এবং অভিযোগ বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন,‘এটা তো আমার সময়ের পত্র না’।