
আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া): বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর পদ্মপুকুর কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মদিবসে উপস্থিত না থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে পরিবার কল্যাণ সহকারী লাবণী আক্তারের বিরুদ্ধে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার ক্লিনিকে উপস্থিত থেকে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যবিষয়ক সেবা ও পরামর্শ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না বলে জানান স্থানীয়রা।
ক্লিনিকের গত দুই মাসের হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরিবার কল্যাণ সহকারী লাবণী আক্তারের কোনো স্বাক্ষর নেই। স্থানীয় বাসিন্দা জাহানারা ও গোলাপী বেগম অভিযোগ করে জানান, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবার জন্য ক্লিনিকে গিয়ে বারবার তাকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। দূর-দূরান্ত থেকে এসেও সেবা না পেয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। শুধু অফিসে অনুপস্থিতিই নয়, মাঠ পর্যায়ে তিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কি না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকির দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লাবণী আক্তার বলেন, “সেখানে আমার তেমন কাজ থাকে না, আমি ফিল্ডে কাজ করি। কাগজে-কলমে বসার নিয়ম থাকলেও আমি কেন বসি না, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা করেছি।”
মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক রহমান অফিসে অনুপস্থিতির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান, তিনি লাবণী আক্তারকে মাঠ পর্যায়ে কাজে পাচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, “সপ্তাহে দুই দিন তার ক্লিনিকে বসা বাধ্যতামূলক, না বসলে তা অন্যায়। বিষয়টি এতদিন আমার জানা ছিল না। তদন্ত সাপেক্ষে যদি তার অনুপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া) 











