
শেখ রিফান আহমেদ : বর্তমান বিশ্বে কোনো দেশ একা উন্নয়ন করতে পারে না। অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি, জলবায়ু, নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা এখন সময়ের অপরিহার্য বাস্তবতা। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রতিটি দেশের জন্য কৌশলগত প্রয়োজন।
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে আঞ্চলিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পারস্পরিক সম্মান, আস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রচেষ্টা বিশ্বশান্তির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
বাংলাদেশ বরাবরই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী। এই নীতিকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বে সহযোগিতাই উন্নয়নের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের ভিত্তিতে আঞ্চলিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে হবে।-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 















