ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ: আহত-৩০,ঘরবাড়ি ভাঙচুর-আতঙ্কে গ্রামবাসী

উজ্জ্বল মাহমুদ,কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪ বার পঠিত
উজ্জ্বল মাহমুদ,কুষ্টিয়া:   কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার আওতাধীন কয়েকটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন এবং একাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত থেকেই উজানগ্রাম, ঝাউদিয়া ও আলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পূর্বের বিরোধের জের ধরে সেই উত্তেজনা শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরের দিকে সহিংস রূপ নেয়। প্রথমে গজনবীপুর গ্রামে সংঘর্ষের সূত্রপাত হলেও পরে তা দ্রুত উজানগ্রামে   ছড়িয়ে পড়ে।এ
সংঘর্ষে খয়েরপুর ও বাখইল গ্রামের শতাধিক মানুষ জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে আহতদের কুষ্টিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, এ ধরনের গোষ্ঠীগত বিরোধ প্রায়ই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান চান তারা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করার কথা জানানো হয়েছে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ: আহত-৩০,ঘরবাড়ি ভাঙচুর-আতঙ্কে গ্রামবাসী

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
উজ্জ্বল মাহমুদ,কুষ্টিয়া:   কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার আওতাধীন কয়েকটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন এবং একাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত থেকেই উজানগ্রাম, ঝাউদিয়া ও আলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পূর্বের বিরোধের জের ধরে সেই উত্তেজনা শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরের দিকে সহিংস রূপ নেয়। প্রথমে গজনবীপুর গ্রামে সংঘর্ষের সূত্রপাত হলেও পরে তা দ্রুত উজানগ্রামে   ছড়িয়ে পড়ে।এ
সংঘর্ষে খয়েরপুর ও বাখইল গ্রামের শতাধিক মানুষ জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে আহতদের কুষ্টিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, এ ধরনের গোষ্ঠীগত বিরোধ প্রায়ই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান চান তারা।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করার কথা জানানো হয়েছে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।