আব্দুল বারীর খুনিরা কেউ পার পাবে না,সময় সুযোগে সবাই ধরা পড়বে – সাবেক এমপি রুমানা মাহমুদ

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:১৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৩৩ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ বলেছেন, খুনিরা কেউ পার পাবে না। সময় সুযোগে সবাই ধরা পড়বে এটা সবাই মনে রাখবেন। রবিবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত আব্দুল বারী শেখের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গেয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা এ পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখবেন। আগামীতে আমরা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি, কীভাবে আমরা দলকে এগিয়ে নিতে পারবো, এবং দলকে ক্ষমতায় আনতে পারা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ভুইয়া রোকনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম, বহুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী, নিহত আব্দুল বারিকের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন। এসময় বহুলী ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীসহ অত্র এলাকার হাজার হাজার নারী পুরুষ আসামিদের ফাঁসির দাবি জানান। উল্লেখ্য- সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলীতে আব্দুল বারী সেখ (৬৫) নামের ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ রাত ৭টার দিকে উপজেলার বহুলী বাজার এলাকায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। আব্দুল বারী সেখ বহুলী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সম্প্রতি আব্দুল বারী সেখের কয়েকটি দাগের জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়েছে একই গ্রামের এক ব্যক্তি। এ নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই এক পর্যায়ে রাত ৭টার দিকে বহুলী বাজার দিকে যাওয়ার পথে বারী সেখের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। এরপর আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান। নিহতের ছেলে জাকির হোসেন বাদী হয়ে ১৭ জন নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত হত্যার ঘটনায় জড়িত এজহারভুক্ত ও অজ্ঞাতসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।


















