ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

আ.লীগ ঠিকাদারের তদবিরে গিয়ে ধরা, মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন দুই প্রকল্প সমন্বয়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৪৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৭০ বার পঠিত

রাজধানীর একটি সরকারি প্রকল্প কার্যালয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগপন্থী এক ঠিকাদারের পক্ষে তদবির করতে গিয়ে দুই প্রকল্প সমন্বয়ক আটক হয়েছেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের। ঘটনাটি মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দুই ব্যক্তি নিজেদেরকে ক্ষমতাসীন দলের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে একটি চলমান টেন্ডার কাজের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তারা দাবি করেন, একজন আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের কাজ যাতে “বাধাহীনভাবে” এগিয়ে যায়, সে বিষয়ে কথা বলতেই তাদের আগমন।

তাদের আচরণে সন্দেহ হলে নিরাপত্তা বিভাগ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং প্রকল্প পরিচালককে বিষয়টি জানানো হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানান যে, সরকারি কার্যক্রমে এমন তদবির অনৈতিক এবং আইনের পরিপন্থী।

দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “দুই ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছি। তবে তাদের আগ্রহ ছিল ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে যাওয়ার। পরে তারা মুচলেকা দিয়ে বের হন।”

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নথিপত্র পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তও শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একজন প্রকৌশলী বলেন, “সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক তদবির নতুন কিছু না, তবে এখন এসব দেখভালের জন্য প্রশাসনিক মনিটরিং কঠোর হয়েছে।”

তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।


আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আ.লীগ ঠিকাদারের তদবিরে গিয়ে ধরা, মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন দুই প্রকল্প সমন্বয়ক

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:৪৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর একটি সরকারি প্রকল্প কার্যালয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগপন্থী এক ঠিকাদারের পক্ষে তদবির করতে গিয়ে দুই প্রকল্প সমন্বয়ক আটক হয়েছেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের। ঘটনাটি মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দুই ব্যক্তি নিজেদেরকে ক্ষমতাসীন দলের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে একটি চলমান টেন্ডার কাজের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তারা দাবি করেন, একজন আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের কাজ যাতে “বাধাহীনভাবে” এগিয়ে যায়, সে বিষয়ে কথা বলতেই তাদের আগমন।

তাদের আচরণে সন্দেহ হলে নিরাপত্তা বিভাগ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং প্রকল্প পরিচালককে বিষয়টি জানানো হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানান যে, সরকারি কার্যক্রমে এমন তদবির অনৈতিক এবং আইনের পরিপন্থী।

দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “দুই ব্যক্তি নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে চাপ সৃষ্টি করছিলেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছি। তবে তাদের আগ্রহ ছিল ক্ষমা চেয়ে বেরিয়ে যাওয়ার। পরে তারা মুচলেকা দিয়ে বের হন।”

ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নথিপত্র পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তও শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একজন প্রকৌশলী বলেন, “সরকারি প্রকল্পে রাজনৈতিক তদবির নতুন কিছু না, তবে এখন এসব দেখভালের জন্য প্রশাসনিক মনিটরিং কঠোর হয়েছে।”

তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেউ আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।