ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দুরকানীতে সাঈদীর রায়ের পর মিষ্টি বিতরণকারী আওয়ামী লীগ নেতাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১১৭ বার পঠিত

পিরোজপুর অফিস :: পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় যুদ্ধাপরাধ মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর মিষ্টি বিতরণ করা আওয়ামী লীগ নেতা মো. এহসান হিরণকে (৪০) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘোষেরহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এহসান হিরণ এলাকায় আনন্দ মিছিল বের করেন এবং মিষ্টি বিতরণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সেই সময় ‘ফাঁসির রশি’ হাতে নিয়ে উল্লাসও করেন। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন পর শনিবার রাতে তাকে বাজারে দেখে স্থানীয় লোকজন প্রথমে তার সঙ্গে কথাবার্তা বলেন এবং পরে ক্ষুব্ধ হয়ে গণধোলাই দেন। পরে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ইন্দুরকানী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আলী হোসেন বলেন, “সাঈদীর মতো একজন আলেমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর এহসান হিরণ যেভাবে উল্লাস করেছিলেন, তাতে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়। সম্প্রতি বাজারে তাকে দেখে স্থানীয়রা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। আমরা তার বিচার দাবি করছি।” ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ হোসেন জানান, “ঘোষেরহাট বাজার এলাকায় স্থানীয়রা আওয়ামী লীগ নেতা হিরণকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

 

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

ইন্দুরকানীতে সাঈদীর রায়ের পর মিষ্টি বিতরণকারী আওয়ামী লীগ নেতাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৫:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

পিরোজপুর অফিস :: পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় যুদ্ধাপরাধ মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর মিষ্টি বিতরণ করা আওয়ামী লীগ নেতা মো. এহসান হিরণকে (৪০) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘোষেরহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর বালিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এহসান হিরণ এলাকায় আনন্দ মিছিল বের করেন এবং মিষ্টি বিতরণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সেই সময় ‘ফাঁসির রশি’ হাতে নিয়ে উল্লাসও করেন। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিন পর শনিবার রাতে তাকে বাজারে দেখে স্থানীয় লোকজন প্রথমে তার সঙ্গে কথাবার্তা বলেন এবং পরে ক্ষুব্ধ হয়ে গণধোলাই দেন। পরে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ইন্দুরকানী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. আলী হোসেন বলেন, “সাঈদীর মতো একজন আলেমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর এহসান হিরণ যেভাবে উল্লাস করেছিলেন, তাতে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়। সম্প্রতি বাজারে তাকে দেখে স্থানীয়রা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। আমরা তার বিচার দাবি করছি।” ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মারুফ হোসেন জানান, “ঘোষেরহাট বাজার এলাকায় স্থানীয়রা আওয়ামী লীগ নেতা হিরণকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”