ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

কক্সবাজারে তিনদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু, আজ আসছেন ড.ইউনুস

শ.ম.গফুর
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৭৩ বার পঠিত
রোহিঙ্গা সংকটের ৮ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট শুরু হয়েছিল এপারে রোহিঙ্গা ঢলের শুরু।এই ৮ বছর সময়ের মধ্যে বিরাজিত মানবিক সংকটের কার্যকর সমাধান হয়নি।প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখেনি।নানা দোলাচালে চলে গেছে ৮ বছর।প্রত্যাবাসন সহ সংকট মোকাবিলায়টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় প্রায় ১৩ লক্ষ রোহিঙ্গা’কে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশ।
সে লক্ষ্যে ৪০ টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে কক্সবাজারে রবিবার (২৪ আগস্ট) থেকে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
শহর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার ইনানীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচিত হোটেল বে-ওয়াচের সম্মেলন কক্ষে বিকেল ৪ টায় প্রথম অধিবেশন আরম্ভের কথা রয়েছে।বিদেশি অতিথিদের পাশাপাশি ‘টেকঅ্যাওয়ে টু দ্যা হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্যা রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শিরোনামে এই অংশীজন সংলাপে অংশ নিতে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড.খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সহ সরকারের উচ্চপদস্থ অনেকে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে থাকছে পাঁচটি অধিবেশন।২৫ আগস্ট (সোমবার) সকালে সম্মেলনের মূল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে বিমানযোগে সংক্ষিপ্ত এক সফরে কক্সবাজার আসবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর ও আলোচিত এই সম্মেলন ঘিরে কক্সবাজারে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর ধারা ১৭(ক) (১) অনুযায়ী জেলার সব বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রধারীকে নিজ নিজ থানায় অস্ত্র জমা দিতে হবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নির্দেশনায় সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।অন্যদিকে এই আয়োজন’কে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য রোহিঙ্গা সংকট সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন পূর্ববর্তী প্রস্তুতিমূলক আয়োজন হিসেবে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।গত ২১ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় – বিদেশি কূটনীতিক, বিশেষজ্ঞ, রোহিঙ্গা প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে এইবভ ও2 সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং টেকসই সমাধানের উপায়, তহবিল সংগ্রহ, রাখাইনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সহ রোহিঙ্গা ইস্যু ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকট আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরা অনেক কষ্টকর। এ সম্মেলনে রোহিঙ্গারা সরাসরি তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন।তবে তিনদিনের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ফলপ্রসু সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশ তথা কক্সবাজার জেলাবাসী মুখিয়ে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কক্সবাজারে তিনদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু, আজ আসছেন ড.ইউনুস

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
রোহিঙ্গা সংকটের ৮ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট শুরু হয়েছিল এপারে রোহিঙ্গা ঢলের শুরু।এই ৮ বছর সময়ের মধ্যে বিরাজিত মানবিক সংকটের কার্যকর সমাধান হয়নি।প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখেনি।নানা দোলাচালে চলে গেছে ৮ বছর।প্রত্যাবাসন সহ সংকট মোকাবিলায়টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় প্রায় ১৩ লক্ষ রোহিঙ্গা’কে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশ।
সে লক্ষ্যে ৪০ টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে কক্সবাজারে রবিবার (২৪ আগস্ট) থেকে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।
শহর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার ইনানীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচিত হোটেল বে-ওয়াচের সম্মেলন কক্ষে বিকেল ৪ টায় প্রথম অধিবেশন আরম্ভের কথা রয়েছে।বিদেশি অতিথিদের পাশাপাশি ‘টেকঅ্যাওয়ে টু দ্যা হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্যা রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শিরোনামে এই অংশীজন সংলাপে অংশ নিতে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড.খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সহ সরকারের উচ্চপদস্থ অনেকে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে থাকছে পাঁচটি অধিবেশন।২৫ আগস্ট (সোমবার) সকালে সম্মেলনের মূল অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে বিমানযোগে সংক্ষিপ্ত এক সফরে কক্সবাজার আসবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর ও আলোচিত এই সম্মেলন ঘিরে কক্সবাজারে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর ধারা ১৭(ক) (১) অনুযায়ী জেলার সব বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রধারীকে নিজ নিজ থানায় অস্ত্র জমা দিতে হবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নির্দেশনায় সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।অন্যদিকে এই আয়োজন’কে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য রোহিঙ্গা সংকট সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন পূর্ববর্তী প্রস্তুতিমূলক আয়োজন হিসেবে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।গত ২১ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় – বিদেশি কূটনীতিক, বিশেষজ্ঞ, রোহিঙ্গা প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে এইবভ ও2 সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং টেকসই সমাধানের উপায়, তহবিল সংগ্রহ, রাখাইনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সহ রোহিঙ্গা ইস্যু ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকট আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরা অনেক কষ্টকর। এ সম্মেলনে রোহিঙ্গারা সরাসরি তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবেন।তবে তিনদিনের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে ফলপ্রসু সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশ তথা কক্সবাজার জেলাবাসী মুখিয়ে রয়েছেন।