ঢাকা, বাংলাদেশ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

কক্সবাজারে ষোল হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:   ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশই আরও শক্তিশালী করবে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতি

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
25 August 2026

বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি খোরশেদ, সম্পাদক জহিরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

কক্সবাজারে ষোল হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:২৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজার প্রতিনিধি:   ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card