ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

কচুয়া ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি ও মৎস্য চাষিদের মাঝে ইনসুলেটেড ফিশবক্স বিতরণ

সূর্য্য চক্রবর্তী,কচুয়া(বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • / ২৯ বার পঠিত
কচুয়া ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি ও মৎস্য চাষিদের মাঝে ইনসুলেটেড ফিশবক্স বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কচুয়া উপজেলার বাঁধাল ইউনিয়নের বকুলতলা বাজারে বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ তত্ত্বাবধানে কমিউনিটি বেইজড ক্লাইম্টে রেজিলিয়েন্ট ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় এই ফিশবক্স বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা মৎস্য অফিসার ডঃ আবুল কালাম আজাদ,বাগেরহাট জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস, কচুয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার রবীন্দ্রনাথ মন্ডল,কচুয়া উপজেলা মেরিন ফিশারিজ অফিসার দিপংকর চক্রবর্তী,জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধি ড. রফিকুল ইসলাম খান প্রমূখ।
এসময়  জেলা মৎস্য অফিসার ডাঃ আবুল কালাম আজাদ  বলেন, বিতরণকৃত এক একটি ফিশবক্সে ৮০-৯০ কেজি মাছ এবং ২৫-৩০ কেজি বরফ ব্যবহার করা যাবে।এছারা তিনি বলেন বাংলাদেশে সাধারণভাবে মৎস্য আহরণোত্তর মাছের গুণগতমান নষ্ট হওয়ার পরিমান শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ। মাছের এই গুণগতমানের অবনতি ঠেকাতে প্রকল্পটি টেকনোলজি গ্রহণ করে এবং সেই মোতাবেক সিবিও’র অংশীজনের মধ্যে ফিশবক্স বিতরণ করা হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় কচুয়া উপজেলার বাঁধাল ইউনিয়নের  বকুলতলা কমিউনিটির ২৫ জন ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি এবং মৎস্যচাষি নিয়ে ২০২৩ সালে একটি সিবিও (কমিউনিটি বেইজ অরগানাইজেশন) গঠন করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জন নারী এবং ৯ জন পুরুষ সদস্য ছিলেন।
এদিন মোট ২৫ জন ভুক্তভোগী পরিবারের মাঝে ২৫ টি ফিশবক্স  বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কচুয়া ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি ও মৎস্য চাষিদের মাঝে ইনসুলেটেড ফিশবক্স বিতরণ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
কচুয়া ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি ও মৎস্য চাষিদের মাঝে ইনসুলেটেড ফিশবক্স বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কচুয়া উপজেলার বাঁধাল ইউনিয়নের বকুলতলা বাজারে বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ তত্ত্বাবধানে কমিউনিটি বেইজড ক্লাইম্টে রেজিলিয়েন্ট ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় এই ফিশবক্স বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা মৎস্য অফিসার ডঃ আবুল কালাম আজাদ,বাগেরহাট জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস, কচুয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার রবীন্দ্রনাথ মন্ডল,কচুয়া উপজেলা মেরিন ফিশারিজ অফিসার দিপংকর চক্রবর্তী,জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধি ড. রফিকুল ইসলাম খান প্রমূখ।
এসময়  জেলা মৎস্য অফিসার ডাঃ আবুল কালাম আজাদ  বলেন, বিতরণকৃত এক একটি ফিশবক্সে ৮০-৯০ কেজি মাছ এবং ২৫-৩০ কেজি বরফ ব্যবহার করা যাবে।এছারা তিনি বলেন বাংলাদেশে সাধারণভাবে মৎস্য আহরণোত্তর মাছের গুণগতমান নষ্ট হওয়ার পরিমান শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ। মাছের এই গুণগতমানের অবনতি ঠেকাতে প্রকল্পটি টেকনোলজি গ্রহণ করে এবং সেই মোতাবেক সিবিও’র অংশীজনের মধ্যে ফিশবক্স বিতরণ করা হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় কচুয়া উপজেলার বাঁধাল ইউনিয়নের  বকুলতলা কমিউনিটির ২৫ জন ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ি এবং মৎস্যচাষি নিয়ে ২০২৩ সালে একটি সিবিও (কমিউনিটি বেইজ অরগানাইজেশন) গঠন করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জন নারী এবং ৯ জন পুরুষ সদস্য ছিলেন।
এদিন মোট ২৫ জন ভুক্তভোগী পরিবারের মাঝে ২৫ টি ফিশবক্স  বিতরণ করা হয়।