ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট, আতঙ্কে এলাকাবাসী

কিশোরগঞ্জে মুরগি ব্যবসায়ীর বাসায় ভয়াবহ ডাকাতি

মো: সিয়াম রানা, নীলফামারী থেকেঃ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৭ বার পঠিত

 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় থানা সংলগ্ন এলাকায় এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিশিষ্ট মুরগি ব্যবসায়ী লাল মিয়া ও তার ভাই সিদ্দিক চাচার বাড়িতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে পাঁচজন অস্ত্রধারী ডাকাত হানা দেয়।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ডাকাতদের একজন মুখে মাস্ক ও লুঙ্গি পরে ছিল, আর বাকি চারজন ছিল খালি গায়ে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টে। প্রত্যেকের হাতে ছিল চাপাতি, লাঠি ও বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র। তারা ঘরের সদস্যদের ভয় দেখিয়ে গলায় অস্ত্র ধরে জিম্মি করে এবং সিদ্দিক চাচার হাত-পা বেঁধে ফেলে।

 

ডাকাতরা বাসা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা নগদ, ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ২টি মোবাইল ফোন এবং ফ্রিজে থাকা ফলমূলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

 

বর্তমানে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ডাকাতদের গ্রেফতারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট, আতঙ্কে এলাকাবাসী

কিশোরগঞ্জে মুরগি ব্যবসায়ীর বাসায় ভয়াবহ ডাকাতি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় থানা সংলগ্ন এলাকায় এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিশিষ্ট মুরগি ব্যবসায়ী লাল মিয়া ও তার ভাই সিদ্দিক চাচার বাড়িতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে পাঁচজন অস্ত্রধারী ডাকাত হানা দেয়।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ডাকাতদের একজন মুখে মাস্ক ও লুঙ্গি পরে ছিল, আর বাকি চারজন ছিল খালি গায়ে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টে। প্রত্যেকের হাতে ছিল চাপাতি, লাঠি ও বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র। তারা ঘরের সদস্যদের ভয় দেখিয়ে গলায় অস্ত্র ধরে জিম্মি করে এবং সিদ্দিক চাচার হাত-পা বেঁধে ফেলে।

 

ডাকাতরা বাসা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা নগদ, ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ২টি মোবাইল ফোন এবং ফ্রিজে থাকা ফলমূলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

 

বর্তমানে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ডাকাতদের গ্রেফতারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।