ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

নাঈম ইসলাম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৬৭ বার পঠিত

কটিয়াদীতে এক সাংবাদিককে যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম রুবেলের প্রাণনাশের হুমকি।  কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলায় সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার কটিয়াদি উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমানকে হুমকি দেওয়া হয়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৫:৪৫ মিনিটে মিজানুর রহমান কটিয়াদি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় আচমিতা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম রুবেলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে কামরুল ইসলাম রুবেল মিজানুর রহমানের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। শুধু তাই নয়, তিনি মিজানুরকে দেখে নেওয়ার এবং মেরে ফেলার হুমকিও দেন।

ঘটনার খবর পেয়ে কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করেন। তবে ইউএনও অফিস থেকে বেরিয়ে আসার পর কামরুল ইসলাম পুনরায় মিজানুরের দিকে চড়াও হন। এই ঘটনায় মিজানুর রহমান স্থানীয় কটিয়াদি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একইসাথে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব তোফাজ্জল হোসেন খান (দিলিপ)কেও বিষয়টি অবহিত করেন।

এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরে। সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের হুমকির ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সুরক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ।

পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে, কটিয়াদি মডেল থানা কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক মিজানুর রহমানের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। এ ঘটনার ফলে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত বিচার এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এদিকে,সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে জাতীয় পর্যায়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির আরও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কিশোরগঞ্জে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

কটিয়াদীতে এক সাংবাদিককে যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম রুবেলের প্রাণনাশের হুমকি।  কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলায় সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকার কটিয়াদি উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মিজানুর রহমানকে হুমকি দেওয়া হয়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৫:৪৫ মিনিটে মিজানুর রহমান কটিয়াদি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় আচমিতা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম রুবেলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে কামরুল ইসলাম রুবেল মিজানুর রহমানের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। শুধু তাই নয়, তিনি মিজানুরকে দেখে নেওয়ার এবং মেরে ফেলার হুমকিও দেন।

ঘটনার খবর পেয়ে কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করেন। তবে ইউএনও অফিস থেকে বেরিয়ে আসার পর কামরুল ইসলাম পুনরায় মিজানুরের দিকে চড়াও হন। এই ঘটনায় মিজানুর রহমান স্থানীয় কটিয়াদি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একইসাথে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব তোফাজ্জল হোসেন খান (দিলিপ)কেও বিষয়টি অবহিত করেন।

এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরে। সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের হুমকির ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সুরক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ।

পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে, কটিয়াদি মডেল থানা কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক মিজানুর রহমানের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। এ ঘটনার ফলে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত বিচার এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এদিকে,সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে জাতীয় পর্যায়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির আরও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন।