ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

কুমিল্লায় গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতার সদস্য পদ স্থগিত

এম.জে.এ মামুন:

গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক মো. আ. জসিম উদ্দিনের দলের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জি. সৈয়দ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, মো. আ. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের নির্দেশক্রমে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জসিম উদ্দিনকে তাঁর লিখিত বক্তব্য আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দলীয় নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত বক্তব্য দাখিলের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে নোটিশে জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কী ধরনের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ দেওয়া হয়নি।

মো. আ. জসিম উদ্দিন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।

নির্বাচনের ফলাফলে হাসনাত আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন।
নির্বাচনের পর কুমিল্লা জেলা গণঅধিকার পরিষদের এই সাবেক নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে এলো।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে জসিম উদ্দিন কী বক্তব্য দেন এবং দল তাঁর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয় তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে মো. আ. জসিম উদ্দিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
11 October 2026

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় কটিয়াদীর প্রবাসী ফয়সালের মৃত্যু

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

কুমিল্লায় গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতার সদস্য পদ স্থগিত

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৭:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

এম.জে.এ মামুন:

গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক মো. আ. জসিম উদ্দিনের দলের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জি. সৈয়দ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, মো. আ. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের নির্দেশক্রমে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জসিম উদ্দিনকে তাঁর লিখিত বক্তব্য আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দলীয় নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত বক্তব্য দাখিলের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে নোটিশে জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কী ধরনের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ দেওয়া হয়নি।

মো. আ. জসিম উদ্দিন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।

নির্বাচনের ফলাফলে হাসনাত আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন।
নির্বাচনের পর কুমিল্লা জেলা গণঅধিকার পরিষদের এই সাবেক নেতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে এলো।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে জসিম উদ্দিন কী বক্তব্য দেন এবং দল তাঁর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয় তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে মো. আ. জসিম উদ্দিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

Share this news as a Photo Card