ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ায় জামায়াতের ঐতিহাসিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৭৩ বার পঠিত
উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠে শনিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৯:৩০টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে এক ঐতিহাসিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে লাখো মানুষের সরব উপস্থিতি ও স্লোগানে পুরো প্রাঙ্গণ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে এই সম্মেলনে দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন দেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়বিচার, সুশাসন, এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ। আমরা দুর্নীতি, শোষণ ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করছি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং শাসনব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী সর্বদা সোচ্চার। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক নেতৃত্বই পারে দেশের সঙ্কট নিরসন করতে। কর্মীদের উদ্দেশ্যে আমাদের বার্তা হলো—আদর্শের পথে অটল থাকুন এবং সত্যের প্রচারে দৃঢ় ভূমিকা রাখুন।”
এছাড়া বক্তব্য দেন দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসেন ও শামিম সাঈদী। সম্মেলনে জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের আগের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই, যেখানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ সমান সুযোগ পাবে।”এ সম্মেলনকে ঘিরে শুক্রবার বাদ আছর কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আনন্দ মিছিল করা হয়।
সমাবেশে কুষ্টিয়া অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
উভয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা জামায়াতের নীতি, লক্ষ্য ও দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

কুষ্টিয়ায় জামায়াতের ঐতিহাসিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠে শনিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৯:৩০টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে এক ঐতিহাসিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে লাখো মানুষের সরব উপস্থিতি ও স্লোগানে পুরো প্রাঙ্গণ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে এই সম্মেলনে দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন দেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক সংগঠন, যার মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়বিচার, সুশাসন, এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ। আমরা দুর্নীতি, শোষণ ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করছি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং শাসনব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী সর্বদা সোচ্চার। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক নেতৃত্বই পারে দেশের সঙ্কট নিরসন করতে। কর্মীদের উদ্দেশ্যে আমাদের বার্তা হলো—আদর্শের পথে অটল থাকুন এবং সত্যের প্রচারে দৃঢ় ভূমিকা রাখুন।”
এছাড়া বক্তব্য দেন দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসেন ও শামিম সাঈদী। সম্মেলনে জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের আগের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই, যেখানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ সমান সুযোগ পাবে।”এ সম্মেলনকে ঘিরে শুক্রবার বাদ আছর কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আনন্দ মিছিল করা হয়।
সমাবেশে কুষ্টিয়া অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
উভয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা জামায়াতের নীতি, লক্ষ্য ও দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।