বিক্রেতারা চরম অসন্তোষ
গঙ্গাচড়ায় কোরবানী হাটে খুঁটি বাণিজ্য!

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
- / ২৪৯ বার পঠিত

দুইটা গরু বাঁধছি। এক”শ টাকা দিছি। আর গরু বিক্রি হলে আরো এক”শ টাকা দেওয়া লাগবে- এভাবে কথাগুলো বলছিলেন উপজেলার বেতগাড়ী হাটে গত শনিবার গরু বিক্রি করতে আসা নবির হোসেন। কোরবানী পশু হাট উপলক্ষে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় প্রতিটি হাটে এ চিত্র। গঙ্গাচড়ায় কোরবানী পশুর হাটে জমজমাট-খুঁটি বাণিজ্য চলছে। এক খুঁটির দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা। এ অবস্থায় ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে বিরুপ প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাঝে মাঝে বাক-বিতন্ডাও হচ্ছে।
শেষ মহুর্তে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় কোরবানীর হাট জমতে শুরু করেছে। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর গরুর দাম অনেকটা হালকা। বিক্রেতারা বললেন গরু প্রতি ৫/৭ হাজার টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। হাট/বাজার গুলোতে গবাদিপশুর সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতা কম।
বুড়িরহাট ও গঙ্গাচড়া হাট ঘুরে দেখা গেছে খুঁটি বাণিজ্যের একেক হাটে খুঁটির দাম একেক রকম নেয়া হচ্ছে। বুড়িরহাটে একটি খুঁটির দাম ৫০ টাকা। গঙ্গাচড়া হাটে খুঁটির দাম ২০ টাকা। বেতগাড়ী হাটে খুঁটির দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা। অন্য সময় খুঁটি না থাকতেও কোরবানী ঈদ এলেই চোখে পড়ে এসব খুঁটি। ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, স্থানীয় লোকজন হাটে জায়গা দখল করে খুঁটি স্থাপন করে। একটি খুঁটিতে একটি গরু বাঁধা যাবে। গরুটি বিক্রি হলে বিক্রেতার কাছ থেকে খুঁটির দাম আদায় করবে। বেতগাড়ী হাটে খুঁটির মালিক আলা মিয়া জানান, সে ১০টি খুঁটি স্থাপন করেছে। ১০টি গরু বাঁধলে সে ৫০০ টাকা পাবে।
ক্রেতা শরিফুল জানান, এটা অতিরিক্ত ব্যয় ক্রেতার জন্য। বেতগাড়ী হাটের এক ইজারাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খুঁটি লাগানোর ব্যাপারে আমাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। যারা এগুলো পুঁতে রাখে টাকা তারাই নেয়।





















