ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

গড়াই খননে গোপন দুর্নীতি: দুদকের অভিযান ড্রেজারে জ্বলে উঠল তেলের কোটি টাকার কেলেঙ্কারি 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৬ বার পঠিত
গড়াই নদ খনন প্রকল্পে কোটি টাকার তেল আত্মসাতের অভিযোগে কুষ্টিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার বিভাগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (১৩ জুলাই) বেলা ১২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নীল কমল পালের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এই অভিযান চালায়।
দুদক জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৯ কোটি টাকার ‘গড়াই নদ পুনরুদ্ধার প্রকল্প’-এর আওতায় ১৪ কিলোমিটার নদীখননের কাজ সম্পন্ন হয়। এই প্রকল্পে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ছিল কুষ্টিয়ার ‘মন্ডল ফিলিং স্টেশন’।
তদন্তে দেখা গেছে, প্রকল্প চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে ড্রেজার বন্ধ থাকলেও কাগজপত্রে চালু দেখিয়ে ভুয়া ভাউচার তৈরি করা হয়। এসব ভাউচারের মাধ্যমে মন্ডল ফিলিং স্টেশনের যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহের ভুয়া বিল তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে প্রকল্পে ব্যবহৃত তেলের ভাউচার পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মন্ডল ফিলিং স্টেশনের মালিক আক্তার মন্ডল জানান, “আমাকে যেখানে তেল দিতে বলা হয়, আমি সেখানে দিয়েছি। প্রকল্পে কী হয়েছে, সে সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।”
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) সৈকত বিশ্বাস সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং সুন্দরবন রক্ষায় গড়াই নদ পুনরুদ্ধার প্রকল্পকে জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কয়েক দশক ধরে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও শুষ্ক মৌসুমে গড়াইয়ের নাব্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

গড়াই খননে গোপন দুর্নীতি: দুদকের অভিযান ড্রেজারে জ্বলে উঠল তেলের কোটি টাকার কেলেঙ্কারি 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
গড়াই নদ খনন প্রকল্পে কোটি টাকার তেল আত্মসাতের অভিযোগে কুষ্টিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার বিভাগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (১৩ জুলাই) বেলা ১২টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নীল কমল পালের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এই অভিযান চালায়।
দুদক জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৯ কোটি টাকার ‘গড়াই নদ পুনরুদ্ধার প্রকল্প’-এর আওতায় ১৪ কিলোমিটার নদীখননের কাজ সম্পন্ন হয়। এই প্রকল্পে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ছিল কুষ্টিয়ার ‘মন্ডল ফিলিং স্টেশন’।
তদন্তে দেখা গেছে, প্রকল্প চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে ড্রেজার বন্ধ থাকলেও কাগজপত্রে চালু দেখিয়ে ভুয়া ভাউচার তৈরি করা হয়। এসব ভাউচারের মাধ্যমে মন্ডল ফিলিং স্টেশনের যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহের ভুয়া বিল তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে প্রকল্পে ব্যবহৃত তেলের ভাউচার পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মন্ডল ফিলিং স্টেশনের মালিক আক্তার মন্ডল জানান, “আমাকে যেখানে তেল দিতে বলা হয়, আমি সেখানে দিয়েছি। প্রকল্পে কী হয়েছে, সে সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।”
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) সৈকত বিশ্বাস সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, জীববৈচিত্র্য এবং সুন্দরবন রক্ষায় গড়াই নদ পুনরুদ্ধার প্রকল্পকে জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কয়েক দশক ধরে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও শুষ্ক মৌসুমে গড়াইয়ের নাব্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।