ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

  • আব্দুল আওয়াল
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৪:৩৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত
আব্দুল আওয়াল:   জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূকে ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল ও একাধিকবার ধর্ষণের মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) এবং জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক মামলার বিবরণ তুলে ধরে জানান- ভুক্তভোগী নারী এবং আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ভুক্তভোগী তা প্রত্যাখ্যান করলে আসামীরা তাঁর ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন। পরবর্তীতে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং সন্তান ও স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়ে আশকর আলী ওই নারীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
ফজলুল হক আরো জানান- ঘটনার ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আসামিরা জোরপূর্বক তাঁর বসতঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় জাহিদুল ইসলামের সহায়তায় আশকর আলী আবারও ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে ফিরে দেখতে পেয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই এলোপাতাড়ি মারধর করেন। ডাকচিৎকার শুনে এক প্রতিবেশী এগিয়ে এলে তাঁকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। আসামিরা সে সময় মুঠোফোনে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করে ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান।
এই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় কোনো উপায় না পেয়ে ওই বছরের ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছেলে বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আশকর আলী ও জাহিদুল ইসলামের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ : ফেসবুকে গালাগাল, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

দেশের অধিকাংশ ড্রাইভার ফিটনেসবিহীন, তারা হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছে: সড়কমন্ত্রী

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৪:৩৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
আব্দুল আওয়াল:   জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূকে ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল ও একাধিকবার ধর্ষণের মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) এবং জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক মামলার বিবরণ তুলে ধরে জানান- ভুক্তভোগী নারী এবং আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ভুক্তভোগী তা প্রত্যাখ্যান করলে আসামীরা তাঁর ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন। পরবর্তীতে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং সন্তান ও স্বামীকে হত্যার হুমকি দিয়ে আশকর আলী ওই নারীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
ফজলুল হক আরো জানান- ঘটনার ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আসামিরা জোরপূর্বক তাঁর বসতঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় জাহিদুল ইসলামের সহায়তায় আশকর আলী আবারও ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে ফিরে দেখতে পেয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই এলোপাতাড়ি মারধর করেন। ডাকচিৎকার শুনে এক প্রতিবেশী এগিয়ে এলে তাঁকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। আসামিরা সে সময় মুঠোফোনে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করে ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান।
এই অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় কোনো উপায় না পেয়ে ওই বছরের ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছেলে বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আশকর আলী ও জাহিদুল ইসলামের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন

Share this news as a Photo Card