ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
তাজা খবর
কৃষকের ন্যায্য মূল্য কোথায় যায়?
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছদ্মবেশী অস্ত্র ‘পেনগান’
ব্যাংকিং খাতে আস্থা সংকট
যশোরে কৃত্রিম তেল সংকটে দিশেহারা চালক ও সাধারণ মানুষ
জ্বালানি সঙ্কটের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন
ফুয়েল পাস নিতে নিবন্ধনের নিয়ম
গ্রামীণ আবহ আর কারুপণ্যের সম্ভার নিয়ে চলছে বৈশাখী মেলা
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে মারা গেছেন
বরেণ্য গীতিকবি,সুরকার,লেখক ও সংগীত গুরু ইউনুস আলী মোল্লার
ঘন কুয়াশায় আবৃত রোদ ওঠেনি খুলনায় কষ্টে কাতর ছিন্নমূল মানুষ !

প্রতিবেদক
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৭৯ বার পঠিত

খুলনা ব্যুরো: শীতে কাঁপছে খুলনা জেলা সহ দক্ষিণাঞ্চল কনকনে ঠান্ডা আর হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু জনজীবন।
সারাদিনের মধ্য সকাল থেকে এখন পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি উত্তরের হিম শীতল বাতাস সাথে ঘন কুয়াশায় আবৃত করে রেখেছে আকাশ । তীব্র শীতে অসহায় হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষ। শীতের দাপটের ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। মার্কেট শপিং মল বিনোদন কেন্দ্রগুলো একেবারেই ফাঁকা। ব্যবসা-বাণিজ্যয় পড়েছে মন্দা ভাব। রেল স্টেশন ফুটপাত লঞ্চঘাট যেখানে সেখানে অসহায় মানুষেরা যবুথবু হয়ে কাগজ খড়কুটো জ্বালিয়ে কিছুটা শীত নিবারণ করছে। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য প্রকৃতি ও নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে। তবে গতকালের তুলনায় আজ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু কমেনি শীতের দাপট। খুলনায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের কুয়াশা আর সকালে তীব্র শীতের সঙ্গে বইছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। বেলা বাড়লেও দেখা নেই সূর্যের। কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কাছে কাবু হচ্ছে প্রাণিকূল। গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে কাঁপতে কাঁপতে জীবন-জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হচ্ছে পেটে খিদে থাকা ক্ষুধার্ত খেটে খাওয়া মানুষ। বেলা গড়িয়ে সাথে সাথে আরও বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের অভিমত দিনশেষে সন্ধ্যার পর থেকে শীতের দাপট আরও তীব্র হবে। এদিকে মধ্যরাত থেকে ঝিরিঝিরি কুয়াশায় সকালে দৃষ্টিসীমা কমে আসে । যানবাহনগুলো সকাল পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে রাস্তায় চলাচল করেছে। শনিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩ দশমিক ০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। খুলনার আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক বলেন, ঘন কুয়াশায় সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে নামতে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে চলতি সপ্তাহজুড়ে এমন পরিস্থিতি থাকবে এমনকি এই তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হালকা ও মাঝারি ধরণের বৃষ্টিপাত হতে পারে । এদিকে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যযালয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং জেলা পরিষদ থেকে জেলায় এখন পর্যন্ত শীতার্ত মানুষের জন্য ২৫ হাজার ৮০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি এনজিও সংস্থা অসহায় বস্ত্রহীন শীতার্থ মানুষদের মাঝে কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যা প্রায় যা প্রায় ৫ হাজার কম্বল বিতরণ করবে। একই সাথে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ চলমান রেখেছে।
আরও পড়ুন:




















