ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

ঘাঘটের ভাঙনে হুমকিতে গাইবান্ধা শহররক্ষা বাঁধ, বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

মোঃ মজনু মিয়া,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
ঘাঘট নদীর অব্যাহত ভাঙনে গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়া সংলগ্ন শহররক্ষা বাঁধের একটি অংশ চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর সঙ্গে বাঁধের দূরত্ব বর্তমানে মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুট। ফলে যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ মুশফিকুর রহমান, গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক, গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ, জেলা প্রশাসনের নাজির মোঃ আশরাফুজ্জামান নাহিদ, পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে নদীভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি দেখতে পান, একটি বালুবাহী বোলগেট থেকে এনে শহররক্ষা বাঁধের ওপর বালু স্তুপ করে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাঁধের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শহররক্ষা বাঁধে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ঘাঘট নদীর ভাঙনে শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহররক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
14 October 2026

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণে ডিলার ও সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় সভা

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com

ঘাঘটের ভাঙনে হুমকিতে গাইবান্ধা শহররক্ষা বাঁধ, বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:০০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
মোঃ মজনু মিয়া,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
ঘাঘট নদীর অব্যাহত ভাঙনে গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়া সংলগ্ন শহররক্ষা বাঁধের একটি অংশ চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর সঙ্গে বাঁধের দূরত্ব বর্তমানে মাত্র দুই থেকে আড়াই ফুট। ফলে যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ মুশফিকুর রহমান, গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক, গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ, জেলা প্রশাসনের নাজির মোঃ আশরাফুজ্জামান নাহিদ, পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে নদীভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি দেখতে পান, একটি বালুবাহী বোলগেট থেকে এনে শহররক্ষা বাঁধের ওপর বালু স্তুপ করে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাঁধের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই বালু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শহররক্ষা বাঁধে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ঘাঘট নদীর ভাঙনে শহররক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহররক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share this news as a Photo Card