ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

চিলমারীতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত  

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / ৬৫ বার পঠিত
কুড়িগ্রামের চিলমারিতে “স্মলহোন্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেজ প্রজেক্ট এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের” উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২২শে জুন) সকাল ১১টার দিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের তেলিপাড়া,পাত্রখাতা গ্রামে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় মালচিং পদ্ধতিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সঙে আলোচনা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ফসল নিয়ে পরামর্শ দেয়া হয়। এতে স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রাজু আহমেদ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, পূর্ণেন্দু সরকার।
আরও  বক্তব্য রাখেন কৃষক আর্জিনা বেগম। তিনি বলেন, আমি ১ একর জমির উপর কুমড়া চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। কৃষি অফিস থেকে আমাকে সার ও বিজ এবং ঔষধ দিয়েছেন। এবং তারা সময় মতো তদারকি করে মালচিং পদ্ধতিতে কুমড়া চাষ করে আমি অনেক লাভবান হয়েছি। এক একর জমিতে চাষাবাদ করে নিজে খেয়ে দেয়ে বিক্রি করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ করেছি।
এ সময় ঐ কৃষক সকলকে উৎসাহ দেয় নতুন করে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করার জন্য।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

চিলমারীতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত  

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৭:২২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
কুড়িগ্রামের চিলমারিতে “স্মলহোন্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেজ প্রজেক্ট এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের” উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২২শে জুন) সকাল ১১টার দিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের তেলিপাড়া,পাত্রখাতা গ্রামে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় মালচিং পদ্ধতিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের সঙে আলোচনা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ফসল নিয়ে পরামর্শ দেয়া হয়। এতে স্থানীয় কৃষক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রাজু আহমেদ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, পূর্ণেন্দু সরকার।
আরও  বক্তব্য রাখেন কৃষক আর্জিনা বেগম। তিনি বলেন, আমি ১ একর জমির উপর কুমড়া চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। কৃষি অফিস থেকে আমাকে সার ও বিজ এবং ঔষধ দিয়েছেন। এবং তারা সময় মতো তদারকি করে মালচিং পদ্ধতিতে কুমড়া চাষ করে আমি অনেক লাভবান হয়েছি। এক একর জমিতে চাষাবাদ করে নিজে খেয়ে দেয়ে বিক্রি করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ করেছি।
এ সময় ঐ কৃষক সকলকে উৎসাহ দেয় নতুন করে মিষ্টি কুমড়া আবাদ করার জন্য।