ঢাকা, বাংলাদেশ। , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

জনপ্রিয় যুবদল নেতা সাইদুর ফরাজির মৃত্যু

এস এম আকাশ
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৭৪ বার পঠিত
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফরাজী (৪৮) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার বাদ যোহর প্রথম জানাজা পৌর শহরের নাপিতখোলা এলাকায় রেজুন সাহেবের ধানের খলায় অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা তার গ্রামের বাড়ি মহিষতারা এলাকায় সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।
সাইদুর রহমান ফরাজী দীর্ঘদিন ধরে মুক্তাগাছার রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন ত্যাগী, নিষ্ঠাবান ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি, মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত সবাই তার রাজনৈতিক অবদান ও ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আজিজুল হাকিম আজিজ বলেন, “সাইদুর ভাই ছিলেন ছাত্রদল ও যুবদলের এক অনন্য প্রেরণার নাম। তার মতো সাহসী ও ত্যাগী নেতার অভাব কোনো দিন পূরণ হবার নয়।”
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, “তিনি শুধু রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন মুক্তাগাছার মাটি ও মানুষের প্রকৃত বন্ধু। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তার মূল লক্ষ্য।” মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, “ছোটবেলা থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার মৃত্যু মুক্তাগাছার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
তার রাজনৈতিক জীবন ছিল সংগ্রাম ও আত্মত্যাগে ভরা। শহীদ স্মৃতি কলেজের ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন—সবখানেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সব সময় সাহসের সাথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি অটল ছিলেন। তার স্মৃতিকে ধারণ করে মুক্তাগাছার তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জনপ্রিয় যুবদল নেতা সাইদুর ফরাজির মৃত্যু

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফরাজী (৪৮) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার বাদ যোহর প্রথম জানাজা পৌর শহরের নাপিতখোলা এলাকায় রেজুন সাহেবের ধানের খলায় অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা তার গ্রামের বাড়ি মহিষতারা এলাকায় সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।
সাইদুর রহমান ফরাজী দীর্ঘদিন ধরে মুক্তাগাছার রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন ত্যাগী, নিষ্ঠাবান ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি, মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত সবাই তার রাজনৈতিক অবদান ও ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আজিজুল হাকিম আজিজ বলেন, “সাইদুর ভাই ছিলেন ছাত্রদল ও যুবদলের এক অনন্য প্রেরণার নাম। তার মতো সাহসী ও ত্যাগী নেতার অভাব কোনো দিন পূরণ হবার নয়।”
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন বলেন, “তিনি শুধু রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন মুক্তাগাছার মাটি ও মানুষের প্রকৃত বন্ধু। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তার মূল লক্ষ্য।” মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, “ছোটবেলা থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার মৃত্যু মুক্তাগাছার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
তার রাজনৈতিক জীবন ছিল সংগ্রাম ও আত্মত্যাগে ভরা। শহীদ স্মৃতি কলেজের ছাত্রনেতা থেকে শুরু করে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন—সবখানেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও গ্রহণযোগ্য। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সব সময় সাহসের সাথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি অটল ছিলেন। তার স্মৃতিকে ধারণ করে মুক্তাগাছার তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।