ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে শিক্ষিকা ও পরিবারের সদস্যদের মারধর

মো. মাহবুব তালুকদার, নলছিটি (ঝালকাঠি)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / ৫৫ বার পঠিত
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুসঙ্গল ইউনিয়নের ভাউমহল গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিক্ষিকা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন শিক্ষিকা কহিনূর বেগমসহ অন্তত তিনজন। মামলার পর থেকে বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আহত শিক্ষিকা কহিনূর বেগম, যিনি মানপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, বলেন, “আমার স্বামী বাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। হঠাৎ আশিকুল রহমান সৌরভ, হাবিবা বেগম, নূর ইসলামসহ কয়েকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাকে এবং মেয়েকেও মারধর করা হয়। আমার নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখে রক্ত জমেছে। গায়ের পোশাক ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করা হয়।”
ঘটনাটি ঘটেছে ৯ জুন, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, হামলাকারীরা লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। কহিনূরের কন্যা ফাতেমা জাহানের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুরো পরিবার।
মামলার বাদী মো. আলমগীর সিকদার বলেন, “মামলার পর থেকেই আসামিরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমাদের হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।”
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে শিক্ষিকা ও পরিবারের সদস্যদের মারধর

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুসঙ্গল ইউনিয়নের ভাউমহল গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিক্ষিকা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন শিক্ষিকা কহিনূর বেগমসহ অন্তত তিনজন। মামলার পর থেকে বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আহত শিক্ষিকা কহিনূর বেগম, যিনি মানপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, বলেন, “আমার স্বামী বাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। হঠাৎ আশিকুল রহমান সৌরভ, হাবিবা বেগম, নূর ইসলামসহ কয়েকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাকে এবং মেয়েকেও মারধর করা হয়। আমার নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখে রক্ত জমেছে। গায়ের পোশাক ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করা হয়।”
ঘটনাটি ঘটেছে ৯ জুন, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, হামলাকারীরা লোহার রড ও লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। কহিনূরের কন্যা ফাতেমা জাহানের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুরো পরিবার।
মামলার বাদী মো. আলমগীর সিকদার বলেন, “মামলার পর থেকেই আসামিরা বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমাদের হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।”