ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

জমি রোপনকৃত ধান তুলে ফেলে জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ

মফিজুল ইসলাম, নীলফামারী:   নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বাজার এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।  জমিতে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত ইমামুদ্দিনের ছেলে মো. তহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন বাদী হয়ে  আদালতে ১৬৫/২২নং মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। তফসিলভুক্ত জমির মধ্যে ১৯৭১ সালের দলিলের (ডিট) মাধ্যমে তারা সাবেক ১৮৪৯ ও ১৮৫০দাগের ডিপি খতিয়ান ১৬৬  হাল দাগ ১৮০৮,এবং ৩০/৬/১৯৯৪সালের নামজারি খরিজ খতিয়ান ১৮৪৭ হোঃ১৮৯৭ মোট জমি ৭ একর২০ শতক জমির মালিক। , বর্তমানে ডিপি খতিয়ান ও  তহিদুল ইসলামদের নামে  রয়েছে এবংডিট প্রাপ্তর  থেকে ওই জমি ভোগদখল ও নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছিলেন।
তহিদুল ইসলাম বলেন,  গত ৩১ জুন (শুক্রবার) মো. আব্দুল আজিজসহ কয়েকজন ব্যক্তি ডিমলা থেকে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এসে তাদের দখলে থাকা জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় জমিতে এক মাস পূর্বে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা এবং আমাকেসহ আমার পরিবারের   লোকজনদের  ভয়ভীতি দেখায়।
তিনি আরও বলেন,  জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের এমন কর্মকাণ্ড আমাদের  দীর্ঘদিনের ভোগদখল ও চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।
প্রতিপক্ষ  মো.আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের  কাছেও ১৯৭৩ সালের বৈধ দলিল রয়েছে। ওই দলিলের ভিত্তিতেই আমরা  জমির মালিক বলে দাবি করি।
এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মামলা আদালতে চলমান থাকায় জমির প্রকৃত মালিক তহিদুল ইসলাম সহ তাদের ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছে,  চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

02 August 2026

খুলনা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

জমি রোপনকৃত ধান তুলে ফেলে জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:৫৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
মফিজুল ইসলাম, নীলফামারী:   নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বাজার এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।  জমিতে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত ইমামুদ্দিনের ছেলে মো. তহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন বাদী হয়ে  আদালতে ১৬৫/২২নং মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। তফসিলভুক্ত জমির মধ্যে ১৯৭১ সালের দলিলের (ডিট) মাধ্যমে তারা সাবেক ১৮৪৯ ও ১৮৫০দাগের ডিপি খতিয়ান ১৬৬  হাল দাগ ১৮০৮,এবং ৩০/৬/১৯৯৪সালের নামজারি খরিজ খতিয়ান ১৮৪৭ হোঃ১৮৯৭ মোট জমি ৭ একর২০ শতক জমির মালিক। , বর্তমানে ডিপি খতিয়ান ও  তহিদুল ইসলামদের নামে  রয়েছে এবংডিট প্রাপ্তর  থেকে ওই জমি ভোগদখল ও নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছিলেন।
তহিদুল ইসলাম বলেন,  গত ৩১ জুন (শুক্রবার) মো. আব্দুল আজিজসহ কয়েকজন ব্যক্তি ডিমলা থেকে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এসে তাদের দখলে থাকা জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় জমিতে এক মাস পূর্বে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা এবং আমাকেসহ আমার পরিবারের   লোকজনদের  ভয়ভীতি দেখায়।
তিনি আরও বলেন,  জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের এমন কর্মকাণ্ড আমাদের  দীর্ঘদিনের ভোগদখল ও চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন।
প্রতিপক্ষ  মো.আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের  কাছেও ১৯৭৩ সালের বৈধ দলিল রয়েছে। ওই দলিলের ভিত্তিতেই আমরা  জমির মালিক বলে দাবি করি।
এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মামলা আদালতে চলমান থাকায় জমির প্রকৃত মালিক তহিদুল ইসলাম সহ তাদের ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছে,  চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card