ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
তাজা খবর
সোনাতলা পৌরসভায় রোড লাইটের বকেয়া বিল বিতরণ কার্যক্রম শুরু প্রযুক্তির উৎকর্ষ বনাম বাকস্বাধীনতা—একটি গণতান্ত্রিক ভারসাম্য ঝালকাঠিতে হাম-রুবেলার আতঙ্ক: সদর হাসপাতালে ৭৩ জনের চিকিৎসা, ৮ জন ভর্তি খালের উপর মক্তব-টয়লেট-সেফটি ট্যাংকি নির্মাণের অভিযোগ নাব্যতা হারিয়ে ফসল ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আতঙ্কে স্থানীয়রা রোদ-বৃষ্টিতে ভোগান্তি, ছাউনিবিহীন জবির ২য় ক্যাফেটেরিয়া ঈদ উপলক্ষে বাঙ্গাবাড়ীতে ৩ হাজার ৫৯৯ পরিবার পেল বিজিএফের চাল নড়াইলে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন বাশারিয়া দরবার শরীফে ৫ দিনব্যাপী উরশ মাহফিল সম্পন্ন সিরাজগঞ্জে পৌর মহাশ্মশানে দুই শতাধিক সুপারি গাছ রোপণ করলেন আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন আজ থেকে সরাসরি মামলা

ঝালকাঠিতে হাম-রুবেলার আতঙ্ক: সদর হাসপাতালে ৭৩ জনের চিকিৎসা, ৮ জন ভর্তি

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / ১২ বার পঠিত
 ঝালকাঠিতে হাম-রুবেলা সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলা সদর হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা সন্দেহে ৭৩ জন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৮ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ১৭৬ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ পর্যন্ত ৯ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আক্রান্তদের মধ্যে ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৬ মে) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাম-রুবেলার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতাল ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুর স্বজন জানান, হঠাৎ উচ্চ জ্বর, গলা ব্যথা ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা চারদিন চিকিৎসার পর বর্তমানে সে কিছুটা সুস্থ। একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আসা আরেক শিশুর পরিবার জানান, প্রাথমিকভাবে ফার্মেসি থেকে ওষুধ সেবন করানো হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে এখন শিশুটি সুস্থতার পথে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ৭ জন রোগী বাড়ি ফিরেছেন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আলাদা চিকিৎসা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ এবং বিশেষ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে জ্বর, চোখ লাল হওয়া, শরীরে ফুসকুড়ি ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও বলছে, হাম-রুবেলা অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় শিশুদের ঝুঁকি বেশি। তাই সময়মতো টিকাদান ও অভিভাবকদের সচেতনতা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঝালকাঠিতে হাম-রুবেলার আতঙ্ক: সদর হাসপাতালে ৭৩ জনের চিকিৎসা, ৮ জন ভর্তি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:১৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
 ঝালকাঠিতে হাম-রুবেলা সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলা সদর হাসপাতালে এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা সন্দেহে ৭৩ জন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৮ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ১৭৬ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ পর্যন্ত ৯ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আক্রান্তদের মধ্যে ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৬ মে) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাম-রুবেলার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতাল ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুর স্বজন জানান, হঠাৎ উচ্চ জ্বর, গলা ব্যথা ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা চারদিন চিকিৎসার পর বর্তমানে সে কিছুটা সুস্থ। একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আসা আরেক শিশুর পরিবার জানান, প্রাথমিকভাবে ফার্মেসি থেকে ওষুধ সেবন করানো হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে এখন শিশুটি সুস্থতার পথে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে ৭ জন রোগী বাড়ি ফিরেছেন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আলাদা চিকিৎসা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ এবং বিশেষ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে জ্বর, চোখ লাল হওয়া, শরীরে ফুসকুড়ি ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও বলছে, হাম-রুবেলা অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় শিশুদের ঝুঁকি বেশি। তাই সময়মতো টিকাদান ও অভিভাবকদের সচেতনতা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।