ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জমে উঠেছে ইদের কেনাকাটা

মোঃ আবুল কালাম
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • / ১২১ বার পঠিত

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঝিনাইহের কালীগঞ্জে বিপনী বিতান ও ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।কালীগঞ্জে উপজেলা শহরের মার্কেট সহসকল বিপনী বিতানগুলোয় চলছে ঈদের কেনাকাটা। আজ শনিবার (২৯-০৩-২০২৫)সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেয়েদের শাড়ি, টু-পিস, থ্রি-পিস, বোরখা, ছোটদের পোশাক, জুতা স্যান্ডেল, প্রসাধনীর দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত অবধি চলছে বেচাকেনা। বিক্রেতারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতেও বেচাবিক্রি ভালো। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর পোশাকের দাম অনেকটাই বেশি। তারপরও পরিবারের ঈদ আনন্দের কথা ভেবে কিনতেই হচ্ছে।

রমজানের প্রথম থেকে বাজারগুলোতে কেনাকাটা আগেভাগে থেকেই শুরু হয়েছে। ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ায় বেচাকেনা শুরু হয়েছে এবং সেই সঙ্গে কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আর ক্রেতাদের সমাগম বাড়তে থাকায় দোকানীরাও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ক্রেতাদের চাহিদা জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন, টি-সার্ট, পাঞ্জাবী ও থ্রি-পিসের। ক্রেতারা বলছেন, তুলনামূলকভাবে এবার কিছুটা দাম বাড়লেও ঈদে নতুন পোশাক কিনতে হচ্ছে। দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে ল্যাহেঙ্গা, জয়পুরী/কলমকাড়ি, বুটিকস, চোষা, জিপসি, দেশীয় সূতি ও বিভিন্ন থ্রি-পিস, নাইরাকাট পোশাক। মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের ডিভাইডার, জিপসি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, লেহেঙ্গা ৭০০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত দরে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য থ্রি-পিস ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বহুল পরিচিত পোষাক ও কাপড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, মায়ের আচল,মকবুল এন্টারপ্রাইজ,আলামিন গার্মেন্টস,জনতা গার্মেন্টস,মায়ের দোয়া গার্মেন্টস,বিসমিল্লাহ গার্মেন্টস, সহ অন্যান্য শো-রুমে নিত্যনতুন শাড়ী ও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বাহারী পোশাকের সমারহ ঘটিয়েছে। দোকানিরা বলছেন, দোকান খোলার পর থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত ক্রেতারা আসছেন। তারপর ক্রেতাদের আনাগোনা কমে গেলেও আবার সন্ধ্যার পর আবার বেচাকেনা শুরু হচ্ছে। প্রায় সব পণ্যের দাম তুলনামূলক কিছুটা বেড়েছে। এরপরও সাধ্যের মধ্যে কিনছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, সময় যতই গড়াচ্ছে ভিড় ততই বাড়বে।
কেনাকাটা আরও জমে উঠবে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। জানান, সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।  বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জমে উঠেছে ইদের কেনাকাটা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঝিনাইহের কালীগঞ্জে বিপনী বিতান ও ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।কালীগঞ্জে উপজেলা শহরের মার্কেট সহসকল বিপনী বিতানগুলোয় চলছে ঈদের কেনাকাটা। আজ শনিবার (২৯-০৩-২০২৫)সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মেয়েদের শাড়ি, টু-পিস, থ্রি-পিস, বোরখা, ছোটদের পোশাক, জুতা স্যান্ডেল, প্রসাধনীর দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত অবধি চলছে বেচাকেনা। বিক্রেতারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতেও বেচাবিক্রি ভালো। ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর পোশাকের দাম অনেকটাই বেশি। তারপরও পরিবারের ঈদ আনন্দের কথা ভেবে কিনতেই হচ্ছে।

রমজানের প্রথম থেকে বাজারগুলোতে কেনাকাটা আগেভাগে থেকেই শুরু হয়েছে। ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ায় বেচাকেনা শুরু হয়েছে এবং সেই সঙ্গে কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আর ক্রেতাদের সমাগম বাড়তে থাকায় দোকানীরাও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ক্রেতাদের চাহিদা জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন, টি-সার্ট, পাঞ্জাবী ও থ্রি-পিসের। ক্রেতারা বলছেন, তুলনামূলকভাবে এবার কিছুটা দাম বাড়লেও ঈদে নতুন পোশাক কিনতে হচ্ছে। দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে ল্যাহেঙ্গা, জয়পুরী/কলমকাড়ি, বুটিকস, চোষা, জিপসি, দেশীয় সূতি ও বিভিন্ন থ্রি-পিস, নাইরাকাট পোশাক। মেয়েদের বিভিন্ন ডিজাইনের ডিভাইডার, জিপসি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, লেহেঙ্গা ৭০০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত দরে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যান্য থ্রি-পিস ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বহুল পরিচিত পোষাক ও কাপড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, মায়ের আচল,মকবুল এন্টারপ্রাইজ,আলামিন গার্মেন্টস,জনতা গার্মেন্টস,মায়ের দোয়া গার্মেন্টস,বিসমিল্লাহ গার্মেন্টস, সহ অন্যান্য শো-রুমে নিত্যনতুন শাড়ী ও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বাহারী পোশাকের সমারহ ঘটিয়েছে। দোকানিরা বলছেন, দোকান খোলার পর থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত ক্রেতারা আসছেন। তারপর ক্রেতাদের আনাগোনা কমে গেলেও আবার সন্ধ্যার পর আবার বেচাকেনা শুরু হচ্ছে। প্রায় সব পণ্যের দাম তুলনামূলক কিছুটা বেড়েছে। এরপরও সাধ্যের মধ্যে কিনছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, সময় যতই গড়াচ্ছে ভিড় ততই বাড়বে।
কেনাকাটা আরও জমে উঠবে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। জানান, সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।  বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।