ঢাকা, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
নাগরিক ভাবনা ॥ Nagorik Bhabna
নাগরিক ভাবনা ॥ Nagorik Bhabna
নাগরিক ভাবনা ॥ Nagorik Bhabna
  • 🏠
  • জাতীয়
    • শীর্ষ খবর
    • রাজনীতি
    • বিবিধ
      • দুর্ভোগ-ভোগান্তি
      • আইন ও আদালত
      • খবর বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস রিলিজ
      • বিভাগীয় খবর
        • খুলনা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • ঢাকা বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
  • রূপসী বাংলা
  • বহির্বিশ্ব
  • খোলা জানালা
    • মুক্তমত
    • মহাশয়, জানেন তো ঘটনাটা!
    • ডাক হরকরা
    • পিয়াসের ডায়েরি থেকে …
    • প্রিয় মুখ
  • খেলার মাঠ
  • বিনোদন পাড়া
  • সাপ্তাহিক আয়োজন
    • অর্থনীতি ও বাণিজ্যের হালহকিকত
    • কর্ম-কর্মস্থল-কর্মসংস্থান
    • কৃষি ও কৃষক
    • গৃহিণীর রসুইঘর-ঘরসজ্জা
    • তথ্য-প্রযুক্তিতে বিজ্ঞান
    • ধর্ম-সংস্কৃতি ও ইতিহাস
    • নগর জীবন
    • ভ্রমণ ও পর্যটন
    • যাপিত জীবনে স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা-শিক্ষার্থী-শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য ভাবনা
  • নাগরিক টুকিটাকি
    • আমাদের সম্পর্কে জানুন
      • পরিবারের সহকর্মীবৃন্দ
      • নাগরিকে যুক্ত হতে নির্দেশনা
    • নাগরিক পরিচিতি
      • ই-নাগরিক ভাবনা
      • নাগরিক মাল্টিমিডিয়া
      • সোশ্যাল মিডিয়ায় নাগরিক
      • নাগরিক মার্ট
      • নাগরিক শেল্টার
    • আরো দেখুন
      • এ্যান্ড্রয়ডে ডাউনলোড করুন ‘নাগরিক এ্যাপস’
      • লেখা পাঠান নাগরিকে
  • 🏠
  • জাতীয়
    • শীর্ষ খবর
    • রাজনীতি
    • বিবিধ
      • দুর্ভোগ-ভোগান্তি
      • আইন ও আদালত
      • খবর বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস রিলিজ
      • বিভাগীয় খবর
        • খুলনা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • ঢাকা বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
  • রূপসী বাংলা
  • বহির্বিশ্ব
  • খোলা জানালা
    • মুক্তমত
    • মহাশয়, জানেন তো ঘটনাটা!
    • ডাক হরকরা
    • পিয়াসের ডায়েরি থেকে …
    • প্রিয় মুখ
  • খেলার মাঠ
  • বিনোদন পাড়া
  • সাপ্তাহিক আয়োজন
    • অর্থনীতি ও বাণিজ্যের হালহকিকত
    • কর্ম-কর্মস্থল-কর্মসংস্থান
    • কৃষি ও কৃষক
    • গৃহিণীর রসুইঘর-ঘরসজ্জা
    • তথ্য-প্রযুক্তিতে বিজ্ঞান
    • ধর্ম-সংস্কৃতি ও ইতিহাস
    • নগর জীবন
    • ভ্রমণ ও পর্যটন
    • যাপিত জীবনে স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা-শিক্ষার্থী-শিক্ষাঙ্গন
    • সাহিত্য ভাবনা
  • নাগরিক টুকিটাকি
    • আমাদের সম্পর্কে জানুন
      • পরিবারের সহকর্মীবৃন্দ
      • নাগরিকে যুক্ত হতে নির্দেশনা
    • নাগরিক পরিচিতি
      • ই-নাগরিক ভাবনা
      • নাগরিক মাল্টিমিডিয়া
      • সোশ্যাল মিডিয়ায় নাগরিক
      • নাগরিক মার্ট
      • নাগরিক শেল্টার
    • আরো দেখুন
      • এ্যান্ড্রয়ডে ডাউনলোড করুন ‘নাগরিক এ্যাপস’
      • লেখা পাঠান নাগরিকে
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
News Title :
আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা জরুরি: নীলফামারীতে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত লোহাগড়ায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুলের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, নিয়মিত হাত ধোয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সড়কের কয়েক লাখ টাকার সরকারি গাছ উধাও, তদন্তের দাবি চিরিরবন্দরে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান নিহত শাজাহানপুরে স্কুলের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সিরাজগঞ্জে নিরাপদ সড়ক দিবস পালন ও সেরা ৪ চালককে সম্মাননা প্রদান রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে পেটাল দুর্বৃত্তরা স্ট্রোক প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ুক দ্রুত চিকিৎসায় রক্ষা পাক জীবন লালপুরে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা
  • 🏠
  • জাতীয়
  • ট্রাম্পের চিঠি, দুই নেতার বৈঠকের জোর সম্ভাবনা

ট্রাম্পের চিঠি, দুই নেতার বৈঠকের জোর সম্ভাবনা

  • নাগরিকভাবনা ডেস্ক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:    জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার এই সফরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বহুল আলোচিত বৈঠকের জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প নিজেই তারেক রহমানের সঙ্গে ‘অদূর ভবিষ্যতে’ সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করায় নিউইয়র্কে দুই নেতার বৈঠক নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই চিঠিতে বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর।

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার প্রথম ভাষণ।

প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেবল জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক সফর হিসেবে দেখছে না ঢাকা। নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবস্থান স্পষ্ট করা, যুক্তরাষ্ট্রসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের ক্ষেত্রে সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে। চিঠিতে ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ‘নট টু ডিসটেন্স ফিউচার’-এ সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে দুই নেতার সাক্ষাতের সম্ভাবনাটি এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জোরালো বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকের বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো তথ্য নেই। তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, ট্রাম্পের সরাসরি আগ্রহ প্রকাশের পর এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ আরও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ, মার্কিন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও শিল্প সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। এর আগে ট্রাম্প বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ফলে দুই নেতার সরাসরি বৈঠক হলে এসব বিষয়ে নতুন কোনো সমঝোতা বা অগ্রগতির পথ তৈরি হয় কিনা, সেদিকেও নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হবে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জাতীয় বক্তব্য দেওয়া। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন। তার বক্তব্যে গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার, আইনের শাসন, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন সহযোগিতা, বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থায় ন্যায্যতা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার বিষয়ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি অর্থপাচার ও বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ-সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনও প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও বাস্তুচ্যুতির মতো সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ একটি ঐতিহাসিক মাত্রাও রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২ জুনের নির্বাচনে বাংলাদেশ ৯৯ ভোট পেয়ে সাইপ্রাসকে পরাজিত করে এই মর্যাদাপূর্ণ পদ অর্জন করে। এর মধ্য দিয়ে প্রায় চার দশক পর আবারও একজন বাংলাদেশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাই একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বনেতাদের সবচেয়ে বড় সমাবেশে দেশের নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন, তখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থিতি এবার বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন, শ্রমবাজার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জলবায়ু অর্থায়ন, রোহিঙ্গা সংকট এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

রোহিঙ্গা সংকটও প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যু হবে। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা চাওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সহায়তার অর্থায়ন কমে যাওয়ার ঝুঁকি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরবে ঢাকা।

জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন, ন্যায্য রূপান্তর এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। ফলে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এসব আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার সুযোগ পাবে। ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্যও বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ফ্লোরিডা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইমরানুল হক চাকলাদারের মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আসা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার ঐতিহাসিক সুযোগ। একই সঙ্গে প্রবাসীদের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মর্যাদা ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবে— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে সানফ্রান্সিসকো সফর হলে প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে তার মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি সেখানে গুরুত্ব পেতে পারে।

Share this news as a Photo Card

Generating high-quality image, please wait...
সম্পর্কিত খবর : নাগরিকভাবনা ডেস্ক
এ জাতীয় আরও খবর

নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : মীর শাহে আলম

পেছালো এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ

টাকা থাকলেও মিলছে না জ্বালানি, বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

জনপ্রিয়

মধ্যরাতে এসিল্যান্ডের বাসায় নামজারির ফাইল নিয়ে নাইটগার্ড 

রুস্তমপুর পশুর হাটে ৫০০ টাকার খাজনা আদায় হচ্ছে ৮০০ টাকা, মনিটরিং টিমের কাছে অভিযোগের সত্যতা

চৌদ্দ বছরে চৌদ্দ ফুটের দুর্গা, ময়মনসিংহের সবচেয়ে বড় প্রতিমার দাবি উযুসের

দুবাই প্রবাসী শাকিলের হাত ধরে ডিজিটাল সেবায় নতুন দিগন্ত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতি চট্টগ্রাম এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা জরুরি: নীলফামারীতে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

লোহাগড়ায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুলের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিল অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, নিয়মিত হাত ধোয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সড়কের কয়েক লাখ টাকার সরকারি গাছ উধাও, তদন্তের দাবি

চিরিরবন্দরে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান নিহত

দৈনিক নাগরিক ভাবনা
শেখ রিফান আহমেদ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
উপদেষ্টা সম্পাদক: সৈয়দ সফি উপদেষ্টা ও প্রকাশক: আফরোজা সিদ্দিকা
দৈনিক নাগরিক ভাবনা
🏠 ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ☎️ 09649-230220 || 📱 01915-708187 || ✉️ info.nagorikvabna@gmail.com || 🌐 NagorikBhabna.com || ⓕ ◎ 𝕏 ▶️ @NagorikBhabna

ট্রাম্পের চিঠি, দুই নেতার বৈঠকের জোর সম্ভাবনা

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাগরিকভাবনা ডেস্ক:    জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকার তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার এই সফরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বহুল আলোচিত বৈঠকের জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প নিজেই তারেক রহমানের সঙ্গে ‘অদূর ভবিষ্যতে’ সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করায় নিউইয়র্কে দুই নেতার বৈঠক নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই চিঠিতে বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর।

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার প্রথম ভাষণ।

প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেবল জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক সফর হিসেবে দেখছে না ঢাকা। নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবস্থান স্পষ্ট করা, যুক্তরাষ্ট্রসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের ক্ষেত্রে সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে। চিঠিতে ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ‘নট টু ডিসটেন্স ফিউচার’-এ সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথাও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে দুই নেতার সাক্ষাতের সম্ভাবনাটি এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি জোরালো বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকের বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো তথ্য নেই। তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, ট্রাম্পের সরাসরি আগ্রহ প্রকাশের পর এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ আরও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ, মার্কিন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও শিল্প সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। এর আগে ট্রাম্প বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ফলে দুই নেতার সরাসরি বৈঠক হলে এসব বিষয়ে নতুন কোনো সমঝোতা বা অগ্রগতির পথ তৈরি হয় কিনা, সেদিকেও নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হবে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জাতীয় বক্তব্য দেওয়া। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন। তার বক্তব্যে গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার, আইনের শাসন, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন সহযোগিতা, বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থায় ন্যায্যতা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার বিষয়ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি অর্থপাচার ও বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ-সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনও প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও বাস্তুচ্যুতির মতো সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ একটি ঐতিহাসিক মাত্রাও রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২ জুনের নির্বাচনে বাংলাদেশ ৯৯ ভোট পেয়ে সাইপ্রাসকে পরাজিত করে এই মর্যাদাপূর্ণ পদ অর্জন করে। এর মধ্য দিয়ে প্রায় চার দশক পর আবারও একজন বাংলাদেশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাই একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বনেতাদের সবচেয়ে বড় সমাবেশে দেশের নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন, তখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থিতি এবার বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন, শ্রমবাজার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জলবায়ু অর্থায়ন, রোহিঙ্গা সংকট এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

রোহিঙ্গা সংকটও প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যু হবে। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা চাওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সহায়তার অর্থায়ন কমে যাওয়ার ঝুঁকি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরবে ঢাকা।

জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন, ন্যায্য রূপান্তর এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। ফলে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এসব আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার সুযোগ পাবে। ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্যও বৈশ্বিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ফ্লোরিডা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইমরানুল হক চাকলাদারের মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আসা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার ঐতিহাসিক সুযোগ। একই সঙ্গে প্রবাসীদের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মর্যাদা ও সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবে— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে সানফ্রান্সিসকো সফর হলে প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে তার মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি সেখানে গুরুত্ব পেতে পারে।

Share this news as a Photo Card

Generating high-quality image, please wait...
শেখ রিফান আহমেদ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
উপদেষ্টা সম্পাদক: সৈয়দ সফি উপদেষ্টা ও প্রকাশক: আফরোজা সিদ্দিকা