ঢাকা, বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

দুর্বৃত্তের গুলিতে রূপসায় যুবদল নেতার মৃত্যু

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:

রূপসা উপজেলার শ্রীরামপুরে ফখরুল শেখ (৩২) নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে রূপসা ব্রিকস নামক ইট ভাটায় এই হত্যাকান্ড ঘটে। নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে ও যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানায় নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। ফখরুল প্রতিদিনের মতো ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য মঙ্গলবার রাতে ওই ভাটায় যায়। এর আগে ওইদিন বিকেলে ভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সাথে ফখরুলের বাগবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে তৈয়ব রাতে ডিউটিতে অনুপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় ভাটায় অবস্থানকালে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ভাটার অফিস রুমের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলের ওপর গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে ঘাড়ে। আরেকটি ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় প্রবেশ করে। তবে কারা এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করেছে, তা পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি
এদিকে ঘটনার পর পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ আরও তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ফরহাদ জানায়, আমার ভাই ফখরুল রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমার ভাটার ক্যানেলে ও মাছ চাষ করতো। রাতে ওর মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। রাস্তায় ওর সাথে দেখা হলে আমাকে জানায় ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবে।
তিনি বলেন, রাত ১২টা ১১ মিনিটে ওর বন্ধু আমাকে ফোন করে বলে ভাই ফখরুলকে কারা যেন মারছে আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।
রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ। লাশের সুরতহালে দেখা যায় তার শরীরে দুইটা গুলি লেগেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রাতে তার ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ : ফেসবুকে গালাগাল, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার ভিআইপি রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০ | ফোন: ০৯৬৪৯২৩০২২০, ০১৯১৫৭০৮১৮৭, ই-মেইল: info.nagorikvabna@gmail.com

.nv-address-bar { background-color: #1565C0 !important; padding: 10px 20px !important; text-align: center !important; width: 100% !important; display: block !important; } .nv-address-bar p { color: #ffffff !important; font-size: 13px !important; margin: 0 !important; line-height: 1.6 !important; }
24 August 2026

দেশের অধিকাংশ ড্রাইভার ফিটনেসবিহীন, তারা হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছে: সড়কমন্ত্রী

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

দুর্বৃত্তের গুলিতে রূপসায় যুবদল নেতার মৃত্যু

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:১১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:

রূপসা উপজেলার শ্রীরামপুরে ফখরুল শেখ (৩২) নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে রূপসা ব্রিকস নামক ইট ভাটায় এই হত্যাকান্ড ঘটে। নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে ও যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানায় নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছে। ফখরুল প্রতিদিনের মতো ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য মঙ্গলবার রাতে ওই ভাটায় যায়। এর আগে ওইদিন বিকেলে ভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সাথে ফখরুলের বাগবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে তৈয়ব রাতে ডিউটিতে অনুপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় ভাটায় অবস্থানকালে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ভাটার অফিস রুমের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলের ওপর গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে ঘাড়ে। আরেকটি ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় প্রবেশ করে। তবে কারা এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করেছে, তা পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি
এদিকে ঘটনার পর পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ আরও তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
ফরহাদ জানায়, আমার ভাই ফখরুল রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমার ভাটার ক্যানেলে ও মাছ চাষ করতো। রাতে ওর মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। রাস্তায় ওর সাথে দেখা হলে আমাকে জানায় ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবে।
তিনি বলেন, রাত ১২টা ১১ মিনিটে ওর বন্ধু আমাকে ফোন করে বলে ভাই ফখরুলকে কারা যেন মারছে আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।
রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ। লাশের সুরতহালে দেখা যায় তার শরীরে দুইটা গুলি লেগেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রাতে তার ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে

Share this news as a Photo Card