ঢাকা, বাংলাদেশ। , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
"দেশী-বিদেশি নানান জাতের পশুপাখির মেলা"

দেবিদ্বারে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ

এম.জে.এ মামুন:
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১০৫ বার পঠিত
কুমিল্লার দেবিদ্বারে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে দেশীয় জাতের তুলনায় বিদেশি জাতের পশু–পাখির স্টল ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি; প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতাল। সহযোগিতা করে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)।
দেশীয় প্রজাতির তুলনায় বিদেশি জাতের পশুপাখি বেশি নজর কাড়ে। প্রদর্শনীতে ছিল ফ্রিজিয়ান হলেস্টিন, জার্সি গরু, পাঞ্জাবি ও তোতাপুরি রাম ছাগল, জার্মান সেফার্ড কুকুর, ফার্সিয়ান বিড়াল, টাইগার ও ব্রয়লার-সোনালী মুরগি। এছাড়াও বাজিঘর, কুয়েল, লাভবার্ডসহ বিভিন্ন বিদেশি–দেশি পাখির সমারোহ দেখা যায়। পশুপাখির পাশাপাশি বিভিন্ন ঔষধ, উন্নত মানের ঘাস, যন্ত্রাংশসহ মোট ৩০টি স্টল বসে মেলায়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ফয়সল উদ্দিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুব্রত গোস্বামী ও উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন—হাফেজ রেজাউল করিম, বিপ্লব কুমার ও কামরুল হোসেন।
বক্তারা বলেন, খামারি ও কৃষকদের উৎসাহিত করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতেই এ প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন। প্রদর্শনী দেখে অনেকেই নতুন করে পশুপালনে আগ্রহী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
এছাড়াও পশুপাখির যেকোনো সমস্যা বা সেবার জন্য উপজেলা ভেটেনারি হাসপাতালে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান কর্মকর্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, পশুপাখি পালন বেকারত্ব দূরীকরণ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আমিষের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা জাতের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন পশুপাখি নিয়ে অংশ নেন খামারি, উদ্যোক্তা ও প্রাণিপ্রেমীরা। পরে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।
দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী দেখতে স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষের ভিড়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

"দেশী-বিদেশি নানান জাতের পশুপাখির মেলা"

দেবিদ্বারে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লার দেবিদ্বারে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে দেশীয় জাতের তুলনায় বিদেশি জাতের পশু–পাখির স্টল ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি; প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতাল। সহযোগিতা করে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)।
দেশীয় প্রজাতির তুলনায় বিদেশি জাতের পশুপাখি বেশি নজর কাড়ে। প্রদর্শনীতে ছিল ফ্রিজিয়ান হলেস্টিন, জার্সি গরু, পাঞ্জাবি ও তোতাপুরি রাম ছাগল, জার্মান সেফার্ড কুকুর, ফার্সিয়ান বিড়াল, টাইগার ও ব্রয়লার-সোনালী মুরগি। এছাড়াও বাজিঘর, কুয়েল, লাভবার্ডসহ বিভিন্ন বিদেশি–দেশি পাখির সমারোহ দেখা যায়। পশুপাখির পাশাপাশি বিভিন্ন ঔষধ, উন্নত মানের ঘাস, যন্ত্রাংশসহ মোট ৩০টি স্টল বসে মেলায়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসক রাকিবুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ফয়সল উদ্দিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুব্রত গোস্বামী ও উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন—হাফেজ রেজাউল করিম, বিপ্লব কুমার ও কামরুল হোসেন।
বক্তারা বলেন, খামারি ও কৃষকদের উৎসাহিত করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতেই এ প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন। প্রদর্শনী দেখে অনেকেই নতুন করে পশুপালনে আগ্রহী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
এছাড়াও পশুপাখির যেকোনো সমস্যা বা সেবার জন্য উপজেলা ভেটেনারি হাসপাতালে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান কর্মকর্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, পশুপাখি পালন বেকারত্ব দূরীকরণ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আমিষের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা জাতের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, কবুতরসহ বিভিন্ন পশুপাখি নিয়ে অংশ নেন খামারি, উদ্যোক্তা ও প্রাণিপ্রেমীরা। পরে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।
দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী দেখতে স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষের ভিড়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।