ঢাকা, বাংলাদেশ। , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নগরকান্দায় গলায় রশি দিয়ে গৃহ বধুর আত্মহত্যা

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৯১ বার পঠিত
ফরিদপুর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নাড়ুয়াহাটি গ্রামের মৃত  কালা মোল্লার ছেলে মোস্তফা মোল্লার স্ত্রী  পারভীন বেগম (৩৫) গত ৪ ঠা জানুয়ারী রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টায় খড়ি ঘরের আড়ার সাথে গলায়  রশি দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। নিহত পারভীন বেগম একই গ্রামের মৃত সাহেদ মোল্লার মেয়ে।
বিবরণে জানা যায় রাত ৯ টায় স্বামী মোস্তফা মোল্লা বাজার থেকে ডিম নিয়ে আসলে স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটি হয় পরে রাগান্বিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে মোস্তফা মোল্লা এবং তার ছেলে মেয়ে খুজাখুজি করে পাশের ঘরে আড়ার সাথে পারভীন বেগমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাড়িতাড়ি নামায় ততক্ষণে পারভীনের দেহ নিথর হয়ে যায়।
পরদিন সকালে ৫ জানুয়ারি রবিবার নগরকান্দা থানা পুলিশকে খবর দিলে এসআই তারেকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে  গিয়ে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে চাইলে নিহতের ভাই আজিজুল মোল্লা, পাচু মোল্লা দুই ছেলে মেয়ে  সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেয় পরে ওসি সফর আলীর উপস্থিতিতে কোন প্রকার অভিযোগ না থাকার কারনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই  লাশ দাফন করা হয়।
নিহত পারভীন বেগমের দুই ছেলে দুই মেয় রয়েছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

নগরকান্দায় গলায় রশি দিয়ে গৃহ বধুর আত্মহত্যা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
ফরিদপুর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের নাড়ুয়াহাটি গ্রামের মৃত  কালা মোল্লার ছেলে মোস্তফা মোল্লার স্ত্রী  পারভীন বেগম (৩৫) গত ৪ ঠা জানুয়ারী রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টায় খড়ি ঘরের আড়ার সাথে গলায়  রশি দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। নিহত পারভীন বেগম একই গ্রামের মৃত সাহেদ মোল্লার মেয়ে।
বিবরণে জানা যায় রাত ৯ টায় স্বামী মোস্তফা মোল্লা বাজার থেকে ডিম নিয়ে আসলে স্ত্রীর সাথে কথা কাটাকাটি হয় পরে রাগান্বিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে মোস্তফা মোল্লা এবং তার ছেলে মেয়ে খুজাখুজি করে পাশের ঘরে আড়ার সাথে পারভীন বেগমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাড়িতাড়ি নামায় ততক্ষণে পারভীনের দেহ নিথর হয়ে যায়।
পরদিন সকালে ৫ জানুয়ারি রবিবার নগরকান্দা থানা পুলিশকে খবর দিলে এসআই তারেকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে  গিয়ে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে চাইলে নিহতের ভাই আজিজুল মোল্লা, পাচু মোল্লা দুই ছেলে মেয়ে  সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেয় পরে ওসি সফর আলীর উপস্থিতিতে কোন প্রকার অভিযোগ না থাকার কারনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই  লাশ দাফন করা হয়।
নিহত পারভীন বেগমের দুই ছেলে দুই মেয় রয়েছে।