
শেখ রিফান আহমেদ : আজ ১৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস। চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চিকিৎসাজনিত অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি কমানো এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দিবসটির মাধ্যমে সরকার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরাপদ চিকিৎসাসেবার জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানায়।
২০২৬ সালের বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবসের মূল বিষয় হলো অসংক্রামক রোগে নিরাপদ চিকিৎসাসেবা। এ বছরের স্লোগান— “Safe care for life!”। হৃদ্রোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগের মতো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা ও নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন হয়। ফলে চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপে রোগীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী প্রতি ১০ জন রোগীর মধ্যে প্রায় একজন চিকিৎসাসেবার সময় ক্ষতির শিকার হন এবং এসব ক্ষতির একটি বড় অংশ প্রতিরোধযোগ্য। দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণের কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সঠিক রোগ নির্ণয়, ওষুধ ব্যবহারে সতর্কতা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যের যথাযথ আদান-প্রদান এবং রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত সহায়তা ও শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, আলোচনা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে রোগী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























