ঢাকা, বাংলাদেশ। , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

পাঁচ বছর পরেও কন্যা হত্যার বিচার পায়নি অটোরিক্সা চালক : গণমাধ্যম কর্মিদের কাছে আকূতি

প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • / ৭৪ বার পঠিত
পিরোজপুর অফিস:: মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছাত্রীর নির্মম হত্যার বিচারের দাবিতে দরিদ্র অটোরিক্সা চালক বাবা গণমাধ্যম কর্মিদের কাছে আকূতি জানিয়েছেন। সোমবার (২১ জুলাই) মেয়ের ওই হত্যা সংক্রান্ত নির্মম পরিনতির কথা বাবা কামরুজ্জামান শেখ আসামীদের ভয়ংকরসব অপরাধের কথা তুলে ধরেন। জেলার নাজিরপুর উপজেলার চালিতাবাড়ি গ্রামের মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী হত্যার ন্যায্য বিচার চেয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র জেলা কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২০ সালে ৩ সেপ্টেম্বরে মেয়ে কামরুল নাহার আঁখি (১৬) হত্যার বিচার চান। এর আগের ২ সেপ্টেম্বর আসামী এনামুল হক লিটন শেখ, রাসেদুল খন্দকার ও রাকিব খান বাবুসহ ৩ জন অটোরিকসা চালকের বাড়িতে রাতে এসে হুমকি-ধামকি দিয়ে জানায়, তোমার মেয়ের সাথে রাসেদুলের প্রেমের সম্পর্ক আছে, ওকে তার সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে, তা না হলে তুলে নিয়ে বিবাহ দিব। এসময় আসামিরা পরিবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসামি লিটন শেখ মেয়ের বাবাকে বলে, তোর মেয়ের অশ্লিল ভিডিও ধারণ করে রাখা আছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এ অজুহাত দেখিয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পরিবারকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে ঘরে প্রবেশ করে আমার মেয়ের গালে চড়-থাপ্পর মারতে থাকে। পরে আমরা চরম ভিতীকর অবস্থায় এবং সারা রাতে মেয়েসহ লাজলজ্জার ভয়ে যেযার মতো রাতে ঘুমাতে যাই। পরের দিন সকালে আখিঁর মা পুকুর ঘাট থেকে এসে ঘরের চালার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়ের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে পিতা কামরুজ্জামান শেখ পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্ররোচনামূলক হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- এম.পি ৮৬/২০ (নাজিরপুর)। পিরোজপুর আদালতসহ নাজিরপুর থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীমূলক ও প্রভাব বিস্তারের একাধীক মামলায় রয়েছে। মামলার বাদী গণমাধ্যম কর্মীদের আরও জানান আসামীরা জামিনে বের হয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানী ও সেল ফোনে ভয়ভিতী ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসামী এনামুল হক লিটনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোনে এ বিষয়ে বলবো না, সরাসরি এসে বলেন বলে জানায়। নাজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভুইয়া বলেন, দায়েরকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাদের বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

পাঁচ বছর পরেও কন্যা হত্যার বিচার পায়নি অটোরিক্সা চালক : গণমাধ্যম কর্মিদের কাছে আকূতি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
পিরোজপুর অফিস:: মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছাত্রীর নির্মম হত্যার বিচারের দাবিতে দরিদ্র অটোরিক্সা চালক বাবা গণমাধ্যম কর্মিদের কাছে আকূতি জানিয়েছেন। সোমবার (২১ জুলাই) মেয়ের ওই হত্যা সংক্রান্ত নির্মম পরিনতির কথা বাবা কামরুজ্জামান শেখ আসামীদের ভয়ংকরসব অপরাধের কথা তুলে ধরেন। জেলার নাজিরপুর উপজেলার চালিতাবাড়ি গ্রামের মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী হত্যার ন্যায্য বিচার চেয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র জেলা কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২০ সালে ৩ সেপ্টেম্বরে মেয়ে কামরুল নাহার আঁখি (১৬) হত্যার বিচার চান। এর আগের ২ সেপ্টেম্বর আসামী এনামুল হক লিটন শেখ, রাসেদুল খন্দকার ও রাকিব খান বাবুসহ ৩ জন অটোরিকসা চালকের বাড়িতে রাতে এসে হুমকি-ধামকি দিয়ে জানায়, তোমার মেয়ের সাথে রাসেদুলের প্রেমের সম্পর্ক আছে, ওকে তার সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে, তা না হলে তুলে নিয়ে বিবাহ দিব। এসময় আসামিরা পরিবাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসামি লিটন শেখ মেয়ের বাবাকে বলে, তোর মেয়ের অশ্লিল ভিডিও ধারণ করে রাখা আছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এ অজুহাত দেখিয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পরিবারকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে ঘরে প্রবেশ করে আমার মেয়ের গালে চড়-থাপ্পর মারতে থাকে। পরে আমরা চরম ভিতীকর অবস্থায় এবং সারা রাতে মেয়েসহ লাজলজ্জার ভয়ে যেযার মতো রাতে ঘুমাতে যাই। পরের দিন সকালে আখিঁর মা পুকুর ঘাট থেকে এসে ঘরের চালার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়ের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে পিতা কামরুজ্জামান শেখ পিরোজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্ররোচনামূলক হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- এম.পি ৮৬/২০ (নাজিরপুর)। পিরোজপুর আদালতসহ নাজিরপুর থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীমূলক ও প্রভাব বিস্তারের একাধীক মামলায় রয়েছে। মামলার বাদী গণমাধ্যম কর্মীদের আরও জানান আসামীরা জামিনে বের হয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানী ও সেল ফোনে ভয়ভিতী ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসামী এনামুল হক লিটনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোনে এ বিষয়ে বলবো না, সরাসরি এসে বলেন বলে জানায়। নাজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভুইয়া বলেন, দায়েরকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাদের বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।